মেইন ম্যেনু

যৌন হয়রানি ও হামলার অভিযোগ :

বেরোবিতে ছাত্রলীগ নেতাসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলা

যৌন হয়রানী ও মারপিটের অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান শিশির, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মাহমুদ হাসান, সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম জয়, ছাত্রলীগ কর্মী শুভ , আদনান ও শামীম এর নাম উল্লেখ করে রংপুর কোতোয়ালী থানায় মামলা দাযের করেছে কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী।

মামলার বাদী বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা আশা। হাবিবা পঞ্চগড় জেলার গড়েরডাঙ্গা থানার আবুল কাশেমের মেয়ে বলে জানা গেছে।

হাবিবা তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন , গত ৪-৫ মাস পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী (১ নং আসামী) শাওন আহমেদ শুভ আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। আমি আসামীর প্রস্তাবে রাজি না হলে সে আমাকে বিভিন্ন ভাবে উত্যক্ত করতে থাকে। তবু আমি বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ফলে ৪-৫দিন পূর্ব হতে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় ও রাস্তাপথে দেখলে আরো বেশি উত্যক্তসহ আমাকে এসিড মারার হুমকী ও বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদান করে। আমি আসামীর উত্যক্ত সহ্য করতে না পেরে বিশ্ববিদ্যালযের বড়ভাই মোহাম্মদ আলী রাজ ও হাদিউজ্জামানদ্বয়কে অবগত করি। তাদের অবগত করার বিষয়টি জানতে পেরে আসামী উক্ত বড়ভাইদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

গত ২৪ আগস্ট ১৫ ইং তারিখে বিকেল ৩ টায় ক্লাস শেষে মেসে ফেরার পথে উক্ত আসামীসহ তার সহযোগী (২ নং আসামী) পরিসংখ্যান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আদনান আলী ও (৩ নং আসামী) গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শামীমসহ ৬থেকে ৭জনকে লাঠিসোটা ও ধোরালো দেশীয় অস্ত্র হাতে দেখে বিশ্ববিদ্যালযের বড়ভাই মোহাম্মদ আলী রাজ ও হাদিউজ্জামানদ্বয়কে জানালে তারা এগিয়ে আসলে উভয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।

উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২৪-০৮-১৫ তারিখ সন্ধ্যা ৭ টায় উপোরোক্ত আসামীগণসহ (৪নং আসামী) ইংরেজি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শিশির, (৫নং আসামী) হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তফা মাহমুদ হাসান, (৬ নং আসামী) বাংলা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলামসহ ১০ থেকে ১২ জন লাঠিসোটা ও ধোরালো দেশীয় অস্ত্রসহ সর্দারপাড়া সাগর প্যালেস ছাত্রবাসে প্রবেশ করে মোহাম্মদ আলী রাজ, হাদিউজ্জামান ও তিতাস চন্দ্র রায়দের রুমের দরজা ভেঙ্গে হত্যার উদ্দেশ্যে চোট মারতে থাকে।

এতে মোহাম্মদ আলী রাজ মাথায়, দুই বাহুতে, পিঠে ও বাম পাযের হাটুতে এবং তিতাস চন্দ্র রায় মাথায়, কপালে চোঠ পেয়ে গুরুত্বও আহত হন। আমি বিষয়টি আমার অভিভাবকদের জানালে তারা রংপুরে আসলে তাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করে থানায় এসে অত্র এজাহার দায়ের করলাম।

মামলার বিষযে জানার চেষ্ঠা করলে ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদী হাসান শিশির ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মাহমুদ হাসানের ফোন বন্ধ পাওযা যায়।

এদিকে মামলা করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জিলানী।