মেইন ম্যেনু

বেরোবিতে ঠাকুরগাঁও কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে নবীনবরণ

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে(বেরোবি) ঠাকুরগাঁও কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে নবাগত ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে । উৎসবমুখর এক পরিবেশের মধ্য দিয়ে শুক্রবার বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি হেয়াত মামুদ ভবনের ৩য় তলায় এই নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এ নবীনবরণ অনুষ্ঠানে সর্বশেষ ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে বেরোবিতে ভর্তি হওয়া ৭ম ব্যাচের অন্তর্ভুক্ত ঠাকুরগাঁও জেলার নবীন শিক্ষার্থীদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন প্রবীণ শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেরোবির ঠাকুরগাঁও কল্যাণ সমিতির প্রধান উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আকতারুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ এবং বেরোবির তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী।

ঠাকুরগাঁও কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাহমুদ-উল-ইসলাম জয়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ্ সুজা কিরমাণী হৃদয়ের সঞ্চালনায় নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বক্তৃতায় ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আকতারুল ইসলাম নবীনদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরা নবীন, তোমরা তারুণ্যের প্রতীক। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে তোমরা দেশ ও জাতির কাছে ঠাকুরগাঁও জেলার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে এটাই কাম্য। বেরোবির ঠাকুরগাঁও কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে নি:স্বার্থভাবে তোমাদের যেকোন প্রয়োজনে সহযোগিতা করা হবে।”

সভাপতির বক্তৃতায় ঠাকুরগাঁও কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাহমুদ-উল-ইসলাম জয় বলেন, “ ঠাকুরগাঁও জেলার শিক্ষার্থীরা বরাবরই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল গঠনমূলক কাজে অবদান রেখে এসেছে। নবীনরাও এ ধারা অব্যাহত রাখবে বলে আশা করছি। আমি বেশকিছু সময় ধরে সংগঠনে দায়িত্ব পালন করেছি। দায়িত্ব পালনকালে আমার ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলোকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি। সময় আসছে নবীনদের দায়িত্ব নেবার। আশা করছি নবীনরা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবে।”

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বেরোবির ঠাকুরগাঁও কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাজিউর রহমান রাজু, প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি আলী রাজ এবং বেরোবি সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম.আশিকুর রহমান। বরণপর্ব শেষে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃতি, কৌতুক, গান প্রভৃতি পরিবেশন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।