মেইন ম্যেনু

এফটিপিতে বাংলাদেশের ম্যাচ বাড়ানো নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা

বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ!

এফটিপিতে (ফিউচার ট্যুর প্ল্যান) বাংলাদেশের ক্রিকেট ম্যাচ বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের বেশি খেলার দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড রিচার্ডসনও। ৯ অক্টোবর দুবাইয়ে শুরু হওয়া আইসিসির সভায় অন্যান্য বোর্ডগুলো মনে করছে বাংলাদেশকে আরও বেশি খেলতে দেয়া উচিত। মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে আইসিসির সভা।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়ার কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস বলেন, ‘বিসিবি সভাপতির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এফিটিপির বিষয়ে আইসিসির প্রধান নির্বাহী আমাদের বেশি খেলা চাওয়ার দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তারা মনে করছে আমাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আরও বেশি খেলতে দেয়া উচিৎ।’

আইসিসির সভায় যাওয়ার আগে বিসিবির পরিকল্পনা ছিল নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে বেশি খেলার বিষয়ে সম্মতি আদায় করা। এ বিষয়ে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান বলেন, ‘প্রথমে চিফ এক্সিকিউটিভ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে এফটিপিতে কিভাবে আমাদের আরও ম্যাচ বাড়ানো যায়, সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই সভায় আমরা আরও খেলা দাবি করেছি। আমরা কেনো আরও বেশি খেলা পাবো না? র‌্যাংকিংয়ের সেরা পাঁচে যে কয়টি দল আছে, তারা যে পরিমাণে খেলা পায় আমরা তা পাচ্ছি না। আমাদের পারফরম্যান্স তুলে ধরেছি সেখানে। আমাদের এই দাবির প্রতি সবাই সমর্থন জানিয়েছে। ওই মিটিংটা খুবই সফল হয়েছে।’

আগামী জানুয়ারিতে বাংলাদেশে বসার কথা রয়েছে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আসর। তবে সম্প্রতি নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল সফর বাতিল করা, দক্ষিণ আফ্রিকা নারী দল না পাঠানো কিংবা বিদেশী নাগরিকদের প্রতি পশ্চিমা কয়েকটি দেশের রেড এলার্ট জারির পরিপ্রেক্ষিতে শঙ্কা করা হয়েছিল এই টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব আসতে পারে।

যদিও এ টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশেই হচ্ছে বলে আশা করছে বিসিবি। আইসিসির সভায় বাংলাদেশে অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে এখনও কোনো কোনো প্রকার নেতিবাচক কথা ওঠেনি।

এ বিষয়ে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস বলেন, ‘সোমবার এবং মঙ্গলবার আইসিসির সভায় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা করা হবে। সভায় যদি নিরপত্তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে, তাহলে আমরা অস্ট্রেলিয়াকে যে ধরনের নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তাদেরকেও সেটাই দেয়ার কথা জানাবো। বুঝিয়ে দেবো যে, বাংলাদেশে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো রকম সমস্যা নেই। এমন কোনো কিছু ঘটেনি যে, বিশ্বকাপ অন্য কোথাও চলে যাবে! আমরা কোনো রকম আশংকা দেখছি না।’

এদিকে টারা তৃতীয়বার এশিয়া কাপ আয়োজনের আগ্রহ দেখিয়েছে বাংলাদেশ। আগ্রহ দেখানোর তালিকায় ভারতও রয়েছে। তবে শেষ দু’বার বাংলাদেশে একটানা এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার এবার সম্ভাবনা কম বলে জানান জালাল ইউনুস।