মেইন ম্যেনু

বেসিক ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা ৬ দিনের রিমান্ডে

আলোচিত বেসিক ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ওই ব্যাংকের দুই উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং এক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারকে দুই মামলায় তিন দিন করে মোট ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম তসরুজ্জামান এই আদেশ দেন।

রিমান্ডকৃত আসামিরা হলেন- বেসিক ব্যাংকের বহিষ্কৃত উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সিপার আহমেদ, দুই উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ফজলুস সোবহান ও মোহাম্মদ সেলিম।

এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর গুলশান এবং মতিঝিল থানার দুই মামলায় সাত দিন করে মোট ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার দুই তদন্ত কর্মকর্তা ঋত্বিক সাহা ও মো. ইব্রাহিম।

আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য আজ সোমবার দিন ধার্য করে গ্রেফতারকৃত তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলের সেনাকল্যাণ ভবনের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের গুলশান থানার ৫৯ নম্বর মামলা এবং মতিঝিল থানায় ৪৩ নম্বর মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গ্রেফতার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সাড়ে ৩টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়।

গত ১০ সেপ্টেম্বর বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনায় মোট ৫৪টি মামলার অনুমোদন দেয় কমিশন। প্রথমে এই ঋণ জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে। কোনো প্রকার নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অস্তিত্বহীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রতিবেদন দুদকে অভিযোগ আকারে পাঠানো হয়।

দুদক সূত্র জানায়, এসব মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলাম, ডিএমডি মো. সেলিম, ডিজিএম এমদাদুল হক ও ফজলুস সোবহান, প্রধান কার্যালয়ের ক্রেডিট কমিটির সদস্য সচিব এ মোনায়েম খান, ডিএমডি কনক কুমার পুরকায়স্থ, ক্রেডিট কমিটির জিএম মো. মনিরুজ্জামান ও শাহ আলম ভূঁইয়া, ডিজিএম খান ইকবাল হাসান, জিএম মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. আশরাফুজ্জামান এবং ঋণ গ্রহণকারী ভুয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।