মেইন ম্যেনু

বোমা নিয়ে কিশোরের কৌতুক, অতঃপর …

১২ বছরের এক শিখ বালক সহপাঠীদের সঙ্গে মজা করে বলে ‘আমার কাছে একটি বোমা আছে এবং এটি দিয়ে আমি স্কুলটি উড়িয়ে দেব।’ আর যায় কোথায়। এ ঘটনা স্কুলের প্রিন্সিপালের কানে গেলে তিনি তৎক্ষণাৎ পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে ওই কিশোরকে ধরে নিয়ে তিনদিন আটকে রাখে।

টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসের নিকোলাস জুনিয়র হাইস্কুলে এ কাণ্ড ঘটে। এই ডালাসেরই আরেকটি স্কুলে মাসখানেক আগে আহমেদ মোহাম্মদ নামে এক মুসলিম বালক হাতে নির্মিত একটি ঘড়ি স্কুলে নিয়ে আসলে পুলিশ তাকে হাতকড়া পড়িয়ে থানায় নিয়ে যায়।

আরমান সিং সারাই নামে ওই বালকের চাচাতো বোন গিনি হায়ের তার ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আরমান বন্ধুদের সঙ্গে মজা করার জন্য বলে তার ব্যাগে একটি বোমা রয়েছে। আর এই ঘটনায় প্রিন্সিপাল তাকে এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ না করে এবং তার বাবা-মাকে কোনো প্রকার খবর না দিয়ে পুলিশ ডেকে আনে। পরে পুলিশ এসে তাকে ধরে নিয়ে যায় এবং তিনদিন আটকে রাখে। অবশেষে গত সোমবার সে মুক্তি পায়।’

গিনি আরো বলে, ‘স্কুল শেষে যথাসময়ে আরমান বাড়ি না আসায় তার বাবা-মাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে প্রত্যেকটি পুলিশ বিভাবে টেলিফোনে খোঁজ নেয়। পরে খবর পাওয়া যায় তাকে একটি কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।’

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ‘পুলিশ জানিয়েছে খবর পেয়ে ডালাসের নিকোলাস স্কুলে গেলে কর্তৃপক্ষ জানায় সারাই নামে এই বালক বোমা দিয়ে স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছিল। পরে তাকে ধরে আনা হয়।’

এ বিষয়ে আমান সিংয়ের পরিবার জানিয়েছে, ‘সে বানিয়ে বানিয়ে কথা বলতে খুব ওস্তাদ।’

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।