মেইন ম্যেনু

ব্যবস্থাপনায় বিরাগ, ৩ মেডিকেল ছাত্রীর আত্মহত্যা

মেডিকেল কলেজের ব্যবস্থাপনায় ক্ষিপ্ত হয়ে আত্মহত্যাই করে বসেছেন তিন মেডিকেল শিক্ষার্থী।

ভারতের তামিলনাড়ুর ভিল্লুপুরমে জেলায় ঘটেছে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা। তিন শিক্ষার্থীই চেন্নাই থেকে ২শ কিলোমিটার দূরের ভিল্লুপুরামের এসভিএস মেডিকেল কলেজ অফ ন্যাচারোপ্যাথি অ্যান্ড ইয়োগা সাইন্স কলেজে স্নাতকের শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে বলা হচ্ছে, কলেজের কাছেই একটি খামারের কুয়া থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে তারা সবাই আত্মহত্যা করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই ছাত্রীদের মৃতদেহের পাশে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গেছে। সেখানে তারা কলেজের ব্যবস্থাপনা এবং বিশেষ করে কলেজের চেয়ারপারসনকে তাদের মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছে।

ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তা এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, ওই সুইসাইড নোটে কলেজ কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত টিউশন ফি আদায় এবং মৌলিক সুযোগ সুবিধা আদায়ের জন্য ছাত্রদের অবিরাম সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা নরেন্দ্র নায়ের বলেছেন, ‘আমরা এখনো কাউকে আটক করিনি। তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি।’ ওই শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্যাতনের শিকার বলে দাবি করেছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা।

এক শিক্ষার্থীর বাবা জানিয়েছেন, এটা আত্মহত্যা নয়। তার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তার মেয়েসহ তিনজনেরই পোস্টমর্টেম যেন ভিল্লুরাম হাসপাতালে না করে চেন্নাইতে করা হয়।

অপর এক ছাত্রীর স্বজন জানিয়েছেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত ও নির্যাতন করত। এই নির্যাতন সইতে না পেরেই তাদের আজ এই পরিণতি হয়েছে।

এদিকে গত ১৯ জানুয়ারি ভারতের হায়দারাবাদে পিএইচডি গবেষক এক দলিত শিক্ষার্থীকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য করার অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়ে, হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।