মেইন ম্যেনু

ব্যাংকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন অর্থ মন্ত্রণালয়

ঈদুল ফিতরে টানা নয় দিনের বন্ধে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন অর্থ মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নিজস্ব উদ্যোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অধিশাখা থেকে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। প্রতিবছর ঈদের ছুটিতে রাজধানী প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। মাত্র কয়েক দিন আগেই একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এর পরেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, নিরাপত্তা জোরদার করতে অর্থ মন্ত্রণালয় সোনালী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বেসিক ব্যাংক এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান শাখায় এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজওয়ানুল হুদা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১ থেকে ৯ জুন সরকারি ছুটি থাকবে। এ সময় রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক ব্যাংককে নিজ উদ্যোগে নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

রাতে কর্মকর্তাদের পালাক্রমে শাখা পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, এই ছুটির সময় ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তাদের রাতে পালাক্রমে শাখা পরিদর্শনসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ব্যাংকের শাখাগুলো বন্ধ হয়ে যাবার পর যাতে কোনোভাবেই কোনো ব্যাক্তি ব্যাংকে ঢুকতে না পারে সে ব্যাপারেও তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের ৪ হাজার ৯০৯টি শাখা আছে। অধিকাংশ শাখাই ভাড়া করা ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে অবস্থিত। কোনো কোনো শাখা ভবনের নিচতলায়। এ ছাড়া অধিকাংশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতা আছে। অনেক ব্যাংকের শাখাতেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রহরীর অভাব আছে। তাই উদ্বিগ্ন অর্থ মন্ত্রণালয় ব্যাংকগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছে। পাশাপাশি পুলিশ সদর দপ্তরেও চিঠির একটি অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।