মেইন ম্যেনু

ব্যাপক এগিয়ে আ.লীগ

পৌর নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে এখন গণনা চলছে। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগ ব্যাপকভাবে এগিয়ে। বিপরীতে সংসদের বাইরে থাকা বড় দল বিএনপি অনেক পিছিয়ে আছে। রয়েছে। দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা জাতীয় পাটির অবস্থা সুবিধাজনক নয়।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ইতিহাসে এই প্রথম দলীয় প্রতীকে পৌরসভা নির্বাচন হচ্ছে। ২০০৮ সালের পর দেশের প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দলীয় প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে।

ভোট গ্রহণকালে বিচ্ছিন্ন কিছু সংঘর্ষ হয়েছে। প্রধান তিন দলই ভোটে অনিয়ম, কারচুপি ও সহিংসতা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে। তবে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

২৩৬টি পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। এরমধ্যে সাতটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা।

এ খবর লেখা পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা শতাধিক আসনে জয়ী হয়েছেন। অপরদিকে বিএনপির ১০ জন প্রার্থীও জয়ী হননি। তবে ফল ঘোষণা শেষ হলে এ চিত্র হয়তো পাল্টে যেতে পারে।

এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হয়েছে। একই পৌরসভায় দলীয় প্রতীকের বাইরে বিদ্রোহী প্রার্থী এড়াতে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি কঠোর মনোভাব দেখিয়েছে। দলীয় প্রার্থী যে-ই হোক, তার বিরোধিতা করে প্রার্থী হলেই দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। তারপরও অনেক আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী দেখা গেছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানে এগিয়ে রয়েছে আওয়ামী লীগসমর্থিত প্রার্থীরা। বিজয়ী মেয়র ও কাউন্সিলর মিলিয়ে ক্ষমতাসীন দলেরই জয়জয়কার।

বিএনপির দাবি, ২০০ পৌরসভায় ১ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে। এসব ভোটকেন্দ্রে পুনঃভোটের দাবি করেছে দলটি। কিন্তু আওয়ামী লীগ দাবি করেছে, নির্বাচনে ৩ শতাংশও অনিয়ম হয়নি। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে।

নির্বাচন নিয়ে দলের অবস্থান পর্যালোচনায় বুধবার রাতে জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।