মেইন ম্যেনু

ব্রিটিশ নারীর বয়ফ্রেন্ডের চেয়ে জিন্স বেশিদিন টেকে!

ব্রিটিশ নারীদের নিকট বয়ফ্রেন্ডের চেয়ে জিন্স বেশি দিন টেকে। শুনতে বেখাপ্পা মনে হলেও এটাই সত্যি।

ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্যা সানের এক খবরে বলা হয়েছে, গড়ে বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে একজন বৃটিশ নারীর সম্পর্ক টেকে দুই বছর ৯ মাস। আর নারীদের সবচেয়ে প্রিয় পোশাক হলো, ৫৯ পাউন্ড দামের একজোড়া নীল জিন্স। এ প্রিয় পোশাক তারা গড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় পরেন! সে হিসাবে বয়ফ্রেন্ডের চেয়ে জিন্সই বেশিদিন ব্যবহার করে বৃটিশ নারীরা! দেশব্যাপী বহু নারীর ওপর চালানো একটি জরিপে উঠে এসেছে তথ্য।

বৃটিশ নারী-পুরুষের পোশাকের পছন্দ খুঁজে বের করতে একটি গবেষণার অংশ হিসেবে চালানো হয়েছিল ওই জরিপ।

বিবাহিত দম্পতিদের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য পাওয়া গেছে এ জরিপে। অনেক বিবাহিত নারী ও পুরুষের সোজাসাপ্টা স্বীকারোক্তি: ওয়ার্ড্রোবের প্রিয় পোশাকটির জন্য প্রয়োজনে বিয়ের আংটিও হেলায় ছুড়ে ফেলতে পারবেন তারা! অর্থাৎ, স্বামী বা স্ত্রীর চেয়েও প্রিয় পোশাকখানার গুরুত্ব আরও বেশি তাদের কাছে!

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৯০ শতাংশই স্বীকার করেছেন যে, তাদেরকে যদি প্রিয় পোশাক আর পরতে দেয়া না হয়, তবে জ্বলে-পুড়ে মরবেন! ১০ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, শ্বাশুড়ি মরে গেলেও, প্রিয় পোশাক ছাড়তে পারবেন না তারা!

জরিপে অংশ নেয়া নারীদের প্রায় অর্ধেকই জানান, জিন্সের পোশাকের ব্রান্ড ডেনিমের প্রতি তাদের এ ‘আকর্ষণে’র মূল কারণ হলো, জিন্স পরলে নিজেদের বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হয়। এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি নারী মনে করেন, জিন্স পরলে নিজেদের ভালো দেখায়। আরামদায়ক বোধ হয়।

সাইকোথেরাপিস্ট ক্রিস্টিনে ওয়েবার বলেন, পোশাকে নারীদের যতটা সুন্দর লাগে বলে মনে করেন তাদের বন্ধুরা, ততটা তাদের নিজেদেরই মনে হয় না।

তাই এ তথ্য খুব আশ্চর্য্যজনক নয়। আমরা যখন আমাদের প্রিয় পোশাক পরি, তখন আমরা আত্মবিশ্বাস পাই। আমরা অনুভব করি যে, আমাদের ভালো দেখাচ্ছে।