মেইন ম্যেনু

ব্রেক্সিটের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিতিশীলতার ইঙ্গিত

প্রায় অর্ধ শতাব্দী পর ইইরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ছে ব্রিটেন। এতে করে দেশটির রাজনীতি এবং অর্থনীতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সহজভাবে বলা যায় এই গণভোট হয়তো ডেভিড ক্যামেরুনের রাজনৈতিক জীবন হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

২০০৮ সালের পর নতুন করে আবারও অর্থনৈতিক শঙ্কটে পড়তে যাচ্ছে ব্রিটেন। সেসময় অর্থনৈতিক সংকট ছিল কিন্তু তখনও এত অস্থিতিশীল অবস্থায় পড়েনি দেশটি। গণভোটে ইউরোপ ছেড়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে ৫২ শতাংশ। ভোটের ফলাফলের পর জোটের সঙ্গে দীর্ঘ ৪৩ বছরের পথ চলা শেষ করতে হলো ব্রিটেনকে।

স্থানীয় সময় সকাল ৪টা ৪০ মিনিটে গণভোটের ফলাফল জানানো হয়। আর ওই ফলাফলের পর ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের পতন ঘটে। যা ব্রিটেনের অর্থনীতিতে বড় ধরনের হুমকি বলে মনে করা হচ্ছে। গত ৩১ বছরের রেকর্ড ভেঙে পাউন্ডের পতন হয়েছে।

১৯৮৫ সালের পর ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের এমন পতন ঘটালো। এর ফলে বিশ্ব শেয়ার বাজারও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। এই গণভোটকে ব্রিটেনের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল এক সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

গণভোটের কারণে পাউন্ডের ৩ ভাগ পতন হয়েছে। এদিকে গণভোটে ইইউ ছাড়ার পর ইউরোর বিপরীতে পাউন্ডের পতন হয়েছে ৬ দশমিক ৫ ভাগ।

পাউন্ডের দাম কমতে কমতে এক পর্যায়ে এসে ১ দশমিক ৩৩০৫ ডলারে ঠেকেছে। এই পতনের হার ১০ শতাংশের বেশি। ১৯৮৫ সালের পর পাউন্ডের দাম এত নিচে আর কখনো নামেনি।

ভোটের ফল গণনা শুরুর আগে পাউন্ডের দাম উঠেছিল ১ দশমিক ৫০ ডলার। কিন্তু ভোটের পর পরই পাউন্ডের দাম ৭ শতাংশ কমেছে এবং ডলারের বিপরীতে ইউরোর দামেও ধস নেমেছে।

ভোটের এই প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারেও। শুক্রবার লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে ৮ শতাংশ ধস নেমেছে। এর প্রভাব শুধু ব্রিটেনেই নয়, জাপান এবং এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ধস নেমেছে।

ইইউ ত্যাগ করা ব্রিটেনের জন্য সুফল বয়ে আনবে নাকি অর্থনীতি আরো ধসের মুখে পড়বে তাই এখন দেখার অপেক্ষা।