মেইন ম্যেনু

ভর্তিযুদ্ধে শিক্ষার্থীর পাশে থাকুন আপনিও

বিধান মুখার্জী, গণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: এইচ এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট হয়ে গেছে।কিন্তু থেমে থাকার সুযোগ নেই, নিজেকে আবারও প্রস্তুত করে নিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য।বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের এখন প্রতিটি মুহূর্ত মুল্যবান।যে যতটা সময়ের সদ্ব্যবহার করবেন সে ততটা এগিয়ে থাকবেন এই ভর্তিযুদ্ধে।

সাধারণত শিক্ষার্থীরা এইচ এস সি পরীক্ষার পরেই বিষয়ভিত্তিক উচ্চশিক্ষার জন্য অনার্স কোর্স, মেডিকেল , ডেন্টাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেরিন, টেক্সটাইল, লেদার টেকনোলজিসহ অন্যান্য বিষয় থেকে নিজের পছন্দের বিষয়টি বেছে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন।শিক্ষার্থীদের এক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ে স্বচ্ছ ধারনা থাকতে হবে।প্রথমে নিজের পছন্দের বিষয় কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান হয় জেনে নিন।আসন সংখ্যা, কোন ইউনিট, প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে সজাগ থাকুন আর মনে মনে নিজের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার দৃঢ় সংকল্প করুন।ভর্তিচ্ছু বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে উচ্চাভিলাষী না হয়ে নিজের জিপিএ এবং পছন্দের বিষয়ের চাহিদা সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নিন।

নিজের লক্ষে অবিচল থাকুন। মনে রাখবেন সময় গেলে সাধন হবে না। অনেকে অনেক কিছুই বলবে,কিন্তু এটা শোনার সময় নয়। নিজের স্বপ্নের দিকে দৃঢ় পায়ে এগিয়ে চলুন।বিশ্বাস রাখুন আপনি যোগ্যদের একজন যিনি চেষ্টা করলেই পারবেন।

কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেবেন স্থির করুন।সময়সূচী দেখে নিজের প্রস্তুতির পরিকল্পনাকে ঢেলে সাজান।সময়ের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করুন।কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেবেন,কয়টা ফর্ম কিনেছেন,কতজন পরীক্ষা দিচ্ছে, প্রস্তুতি কেমন, পরীক্ষা দিতে গিয়ে কোথায় থাকবেন এই সমস্ত বিষয় নিয়ে কারো সাথে কথা বলে সময় জলে ফেলে নষ্ট না করে নিজেকে ঝালিয়ে নিন। চান্স পাবার পর আপনি এগুলো করার অনেক সময় পাবেন।কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার এমন সুযোগ আর পাবেন না।

ভর্তি পরীক্ষার পূর্বে পরীক্ষার্থীরা নানা রকম সমস্যায় থাকেন।ফর্ম কবে থেকে পাওয়া যাবে, কোন ইউনিটের ফর্ম কিনব, কোন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কবে, কখন, দুরের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গেলে কোথায় থাকব ধরনের সমস্যায় সাধারণত অনেক সময় নষ্ট হয়। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থী তার অভিভাবকের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন। একটু ভালভাবে আপনার পরিকল্পনা আপনার অভিভাবককে বুঝিয়ে দিলেই অনেকটা সময় পেয়ে যাবেন নিজেকে ঝামেলামুক্ত রেখে প্রস্তুতি নেবের যা আপনাকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখবে।

অভিভাবকদের সঠিক নির্দেশনা, মনোভাব, সাহায্যের ইচ্ছা একজন ভর্তিপরীক্ষার্থীকে মানসিক ভাবে সুস্থ রাখতে পারে।শিক্ষার্থীর দৃঢ় মনোবল এবং লক্ষে পৌঁছাবার সংকল্পকে এগিয়ে নিতে একজন দায়িত্বশীল অভিভাবক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন।তাই ভর্তিযুদ্ধে শিক্ষার্থীর পাশে থাকুন আপনিও।