মেইন ম্যেনু

ভাগ্যই আমাকে বিয়ে করতে দেয়নি : আশা পারেখ

রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে বলিউডের একসময়ে সবার হৃদয়-বীণায় ঝঙ্কার তুলেছিলেন তিনি। হার্টথ্রব এই নায়িকার সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন রাজেশ খান্না থেকে শাম্মী কাপুরের মতো চিরসবুজ নায়করা। যাঁর চোখের ইশারায় তামাম দুনিয়ার দর্শকের মন দুলে উঠত, তিনি আশা পারেখ।

লাখ লাখ দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নিলেও চিরকুমারী রয়ে গেলেন অভিনেত্রী আশা পারেখ। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ফেলে আসা জীবন ও ব্যক্তিগত নানা কথার ঝাঁপি খুললেন তিনি। বললেন, ‘আমার ভাগ্যে বিবাহিত জীবনের সুখ লেখা ছিল না, তাই হয়তো বিয়ে করা হয়ে ওঠেনি। আমার ভাগ্যই আমাকে বিয়ে করতে দেয়নি। এর জন্য মিথ্যা কাউকে দোষারোপ করার মানে হয় না।’

আশা পারেখ বলেন, ‘একটা সময় আমার মা সুধা পারেখ আমার বিয়ে দেওয়ার জন্য বহু পাত্র খুঁজেছিলেন। কিন্তু শেষ অবধি উপযুক্ত কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে জীবনে বিয়ে না হওয়ায় আমার কোনোরকম ক্ষোভ নেই; বরং আজ আমি খুশি যে, আমার বিয়ে হয়নি। কারণ, সংসারজীবনে স্বামী-স্ত্রী বা মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের স্ট্রেস থেকে অন্তত বেঁচে গেছি।’

আশা আরো বলেন, ‘আজ আর আমি দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গীকে মিস করি না। প্রচুর বন্ধু রয়েছে আমার। সবার সঙ্গে ভীষণ গল্প করে সময় কাটাতেই ভালোবাসি আমি।’ কথায় কথায় আশা পারেখ বললেন, ‘যদি কারো ভাগ্যে বৈবাহিক জীবনের সুখ না থাকে, তাহলে হয়তো তার জীবন থেকে স্বামী ছেড়ে চলে যেতে পারে কিংবা তার মৃত্যুও ঘটতে পারে। সে ক্ষেত্রে জীবনে একা হয়ে পড়তে হয়। ফলে বিয়ে না করে সেই একাকী জীবনে থাকতে অসুবিধা কোথায়?’ আশা বলেন, ‘পৃথিবীতে একাই এসেছি, তাই একাই যেতে হবে। ভাগ্যে বিবাহিত জীবন বা স্বামীসুখ না থাকলে তা কিছুতেই হবে না।’

গুজব রয়েছে, বলিউডি পরিচালক নাসির হুসেনের সঙ্গে নাকি একসময় প্রেম করতেন আশা পারেখ। কিন্তু নাসির বিবাহিত থাকায় তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চাননি। ফলে ভালোবেসেও আর বিয়ে করা হয়ে ওঠেনি আশা পারেখের।