মেইন ম্যেনু

‘ভারতরত্ন’ উস্তাদের রূপোর সানাই গলিয়ে বিক্রি, দাম মাত্র ১৭ হাজার টাকা!

১৯৪৭। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগের দিন, দিল্লির লাল কেল্লায় তাঁর সানাইয়ের সুর মাতিয়েছিল সমগ্র দেশবাসীকে। তার পর থেকে সেটাই যেন রীতি হয়ে গেল এ দেশে। প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসে, লাল কেল্লায় দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরে উস্তাদ বিসমিল্লা খানের সানাইবাদন ‘লাইফ’ পরিবেশিত হয়েছে তাঁর জীবদ্দশায়।

২০০৬, ২১ অগস্ট। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ‘ভারতরত্ন’ উস্তাদ বিসমিল্লা খান। তার পর থেকে তাঁর সানাইগুলি থাকত তাঁর তিন ছেলের একজন, কাজিম হুসেনের কাছে। ঘটনাচক্রে, গত বছর ৪ ডিসেম্বর, কাজিম হুসেনের বাড়ি থেকে মোট পাঁচটি সানাই চুরি হয়ে যায়। যার মধ্যে চারটি রূপোর তৈরি ও একটি ছিল কাঠ এবং রূপো দিয়ে তৈরি। উত্তরপ্রদেশের ডালমন্ডি অঞ্চলের থানায় পরদিনই এফআইআর করেন কাজিম।

পুলিশের তৎপরতায় সন্ধান পাওয়া গিয়েছে সানাইগুলোর। তবে, সেগুলো যে এককালে সানাই ছিল তা বোঝার উপায় নেই। রূপো গলিয়ে মাত্র ১৭০০০ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয় সানাইগুলো। ঘটনাচক্রে এই চুরির জন্য ধরা হয়েছে কাজিমের ছেলে নাজারে হুসেনকে। যে দোকানে সানাইগুলো বিক্রি করেছিল নাজারে, তার মালিক শংকর শেঠ এবং তার ছেলে সুজিত শেঠকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

উস্তাদের পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে যে, চুরি যাওয়া সানাইগুলি উপহার হিসেবে দেশের কয়েকজন বিশিষ্ট মানুষের থেকে উপহার পেয়েছিলেন বিসমিল্লা খান। সেই তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিংহ রাও, কপিল সিব্বল এবং লালু প্রসাদ যাদবের।