মেইন ম্যেনু

ভারতের ট্রেনে বোমা হামলার ঘটনায় বাংলাদেশি হুজি নেতার মৃত্যুদণ্ড

ভারতে শ্রমজীবী এক্সপ্রেস ট্রেনে বিস্ফোরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত বাংলাদেশি ওবায়েদ-উর-রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাকে ১০ লাখ ৩০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৩১ আগস্ট) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত তার বিরুদ্ধে এ সাজা ঘোষণা করেন। এর আগেরদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) একই আদালতে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু খবরটি নিশ্চিত করেছে।

২০০৫ সালের ২৮ জুলাই শ্রমজীবী এক্সপ্রেসে ওই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ১২ যাত্রী নিহত এবং ৬০ জন আহত হয়েছিল। জোনপুরের হারপালগঞ্জ স্টেশনের কাছে হরিহরপুর রেলওয়ে ক্রসিংয়ে ট্রেনটিতে বোমা হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন সাদা স্যুটকেস হাতে দুই তরুণ ট্রেনে ওঠে। কিছুক্ষণ পর স্যুটকেস রেখে তারা ট্রেন থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যান। এরপরই ট্রেনটিতে বিস্ফোরণ হয়।

সম্প্রতি ওই ঘটনার হোতা হিসেবে আরেক বাংলাদেশি আলমগীর ওরফে রনিকে মৃত্যুদণ্ড দেন ভারতের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত। সেইসঙ্গে তাকে সাত লাখ ভারতীয় রুপি জরিমানা করা হয়। আর মঙ্গলবার ওবায়েদ-উর রহমানকে ভারতীয় পেনাল কোডের আওতায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। বিচারপতি বুধিরাম যাদব এ রায় ঘোষণা করেন। বুধবার তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হবে বলেও ওইদিন জানানো হয়।

আলমগীর ও ওবায়েদ দুজনই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকত-উল-জিহাদ-আল ইসলামীর (হুজি) সদস্য বলে উল্লেখ করেছে দ্য হিন্দু। আলমগীর আর ওবায়েদ ছাড়াও আরও দুই বাংলাদেশি নাফিকুল বিশ্বাস এবং সোহাগ ওরফে হেলালকেও শ্রমজীবী এক্সপ্রেসে হামলার জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়। অন্য একটি মামলায় তারা এখন হায়দারাবাদ জেলে আছে। শ্রমজীবী এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণ মামলায় অপর অভিযুক্ত শরীফ পলাতক রয়েছে। এছাড়া গোলাম রাজদানি ওরফে ইয়াহিয়া এবং সাইদ নামের আরও দুই অভিযুক্ত মামলার বিচার চলাকালে মারা গেছেন। সূত্র: দ্য হিন্দু, হিন্দুস্তান টাইমস