মেইন ম্যেনু

ভারতের সব থেকে সৎ নেতা মমতা

সততা প্রতীক বলে দলীয় অনুগামীরা যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলে ধরেন তখনই আবার সারদা কাণ্ডসহ নানা ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে এই মুখ্যমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলতে চান বিরোধীরা। তবে মমতাকে ভারতের সব থেকে সৎ রাজনীতিবিদ বলে জানিয়েছেন চীনের উপ-রাষ্ট্রপতি লি জুয়ান চাও। তিনি অবশ্য বলার জন্যই এ কথা বলেননি। রীতিমতো সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই তিনি মমতাকে এ সম্মান দিয়েছেন।

ভারতের রাজনীতিকদের নিয়ে চীনে একটি সমীক্ষা চালানো হয়, যেখানে সততার তালিকায় একেবারে প্রথমেই যে নামটি এসেছে, সেটি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে এই সমীক্ষার কথা জানিয়েছেন চীনের উপ-রাষ্ট্রপতি নিজেই।

রাজনীতিতে বাংলার এই নেত্রীর সততার কাহিনী দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক দুনিয়াতেও পৌঁছে গেছে বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তিনি জানান, চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লি জুয়ান চাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এ দেশের সবচেয়ে সৎ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বলে অভিহিত করেছেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদেশি রাষ্ট্রনেতার এমন প্রশংসায় স্বভাবতই খুশি মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে মমতার অভিমত, খোঁজ-খবর নিয়েই নিশ্চয় এমন কথা বলেছেন চীনের উপ-রাষ্ট্রপতি।

এদিকে মমতার প্রশংসার কথা শুনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রকে কিছুটা সন্দেহ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তিনি জানান, উনি (চীনের উপ-রাষ্ট্রপতি) সত্যি এসব বলে থাকলে কিছু বলার নেই। তবে অর্থমন্ত্রী অমিত চীনা ভাষার অনুবাদ ঠিক বুঝতে পেরেছেন তো?

গত বৃহস্পতিবার নিউ টাউনের ইকো পার্কের গ্লাস হাউসে মমতা বন্দপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে করেন লি জুয়ান চাও। সেখানে উপস্থিত ছিলেন চীনের বিদেশ, বাণিজ্য ও সামাজিক সুরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীরাও। তৃণমূল সরকারের ক্যাবিনেটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, পৌর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও।