মেইন ম্যেনু

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ আমাদের কাম্য নয় : প্রধানমন্ত্রী

ভারত-পাকিস্তানের অবস্থান সত্যিই খুব উদ্বেগজনক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এ অঞ্চলে কোনো রকম সংঘাত ও যুদ্ধ আমাদের কাম্য নয়।

রোববার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ব্যাপার। তবে কোনো রকম সংঘাত হোক এ অঞ্চলে এটা আমাদের কাম্য নয়।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন এবারের সফরে আমি যক্ষ্মা, এইডস এবং ম্যালেরিয়াসহ নারীর ক্ষমতায় নিয়ে আলোচনা করি। যাতে এই বিষয়গুলো সারাবিশ্ব অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখে। রোববার বিকালে গণভবনে কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে আমি কানাডা সফর করি এবং কানাডা সফর শেষে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকেও বাংলাদেশ সফর করার আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর কানাডায় ‘ফিফথ রিপ্লেসমেন্ট কনফারেন্স অব দ্য গ্লোবাল ফান্ড’ এবং যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কানাডার পথে যুক্তরাজ্যে একদিন অবস্থান করেন তিনি।

কানাডা সফরকালে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হাতে তার বাবা পিয়েরে ইলিয়ট ট্রুডোর মরণোত্তর সম্মাননা তুলে দেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১২ সালে পিয়েরে ইলিয়ট ট্রুডোকে মরণোত্তর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছিলো। দীর্ঘদিন পর পিয়েরে ট্রুডোর সেই সম্মাননা পুরস্কারটি জাস্টিন ট্রুডোর হাতে তুলে দেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন শেখ হাসিনা। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি।

কানাডা সফরে সেখানে থাকা বঙ্গবন্ধুর একজন খুনি নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়।
১৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে এয়ার কানাডার একটি ফ্লাইটে নিউইয়র্ক যান প্রধানমন্ত্রী।

যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখ‍ার পাশাপাশি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।

যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ পদক ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পান। খেতাব পান ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়নের।
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ সফর শেষে দেশে ফিরলে জনতার উষ্ণ ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে শুক্রবার বিকেল ৬টা ৪২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিমানবন্দরে তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ও মেয়র, সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।