মেইন ম্যেনু

ভালোবাসার টানে ঘর ছেড়েও বিয়ে হলো না মুক্তার : রাস্তায় ফেলে পালালো প্রেমিক

হামিদা আক্তার বারী, ডিমলা (নীলফামারী) সংবাদদাতা : দীর্ঘ দুই বছর ধরে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রতারক প্রেমিক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকাকে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখালেও অবশেষে প্রেমিকাকে রাস্তায় রেখে পালিয়েছে ঐ প্রতারক প্রেমিক।

ঘটনার সূত্র ধরে জানা যায়, নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়ী ইউনিয়নের পটকাপাড়া গ্রামের মো মতিয়ার রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা মুক্তা পারভীন (২৩)কে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকব সম্পর্ক গড়ে তুলে উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নে জোড়জিগা গ্রামের নবর উদ্দিন (নব)’এর পুত্র সাইদুল ইসলাম (২৪)। উভয়ের সম্পর্কের টানে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যায় প্রেমিকা মুক্তাকে প্রেমিক সাইদুল। এক পর্যায়ে প্রেমিক সাইদুলের কথা মত মুক্তা ঢাকায় গিয়ে একটি গামেন্টেসে কর্মী হিসেবে যোগদান করে।

গত ২৪সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে গতকাল ২৫ সেপ্টেম্বর সকালে সাইদুল মুক্তাকে বিয়ে করার কথা বলে ঢাকা থেকে নিয়ে যায় ডিমলা সদরের দক্ষিন তিতপাড়া গ্রামের (মেডিকেল মোড়) মৃত আবুল হোসেন পাইকারের বাড়ীতে। কিন্তু দিন গড়িয়ে সন্ধা হলেও সাইদুল আর মুক্তাকে বিয়ে করবে না মর্মে জানিয়ে দেয়। এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতে একটি বিচার শালিস বসে। কিন্তু উক্ত মজলিসে কিছুতেই সাইদুল মুক্তাকে বিয়ে করবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় মুক্তার পিতা উপস্থিত সকলের কাছে বলেন, আমি এখন এই মেয়েকে নিয়ে কি করবো। কোথায় যাব ? কে করবে আমার এই মেয়েকে বিয়ে ? তিনি উপস্থিত মজলিসে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, হয় আপনারা আমার মেয়েকে সাইদুলের সাথে বিয়ে দেন নতুবা আমার মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে দেন।

এ সময় সাইদুলের আত্বীয় স্বজনেরা বলেন, প্রয়োজনে আমরা দু’জনকেই থানায় সোপর্দ করবো তবুও এ বিয়ে হবে না। এক পর্যায়ে সাইদুল প্রেমিকা মুক্তার হাত ধরে বলে চল আমরা থানায় যাই সেখানে যা হবার হবে। এ কথা বলে উপস্থিত সকলের সামনে থেকে মুক্তাকে নিয়ে মজলিস থেকে বেড়িয়ে যায়। কিছুদুর গিয়ে প্রতারক প্রেমিক সাইদুল মুক্তাকে রাস্তার মধ্যে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রেমিকা মুক্তা প্রেমিকের এমন কান্ডে কিংকতর্ব্যবিমূখ হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিনের ভালোবাসার মানুষটিকে হারিয়ে মুক্তা এখন বিভিন্ন মহলের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।