মেইন ম্যেনু

ভালোবাসা দিবসে যেভাবে পাবেন মনের মানুষের দেখা

মানুষ এবং তার সম্পর্কের বিষয়টা দারুণ উপভোগ করেন ক্যারোলিন ব্রিয়েলি। এ কারণে ম্যাচমেকার প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন ৫ বছর ধরে। লন্ডনে কোনো রিজিওনাল ডেটিং সার্ভিস নেই। এ কারণে ডেটিং এজেন্সি খুলেছেন তিনি। এ শহরে ২০, ৩০ এবং ৪০-এ পা দেওয়া মানুষের জীবনে ডেটিং বড়ই প্রয়োজন।

শুরুর পর ৫ বছরে বহু মানুষের সম্পর্ক জুড়ে দিয়েছে তার এজেন্সি। এদের অনেকে বিয়ে করে সন্তান নিয়ে দিব্যি সুখে আছেন। প্রথম দিকে সব বয়সী মানুষের জীবনের প্রেম নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চালিয়েছেন তিনি। ইতিবাচক বিষয়টি হলো, তারা সব বয়সী মানুষ ভালোবাসতে চান।

এ প্রতিষ্ঠান নিয়ে নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়ছে তার। যেমন একবার একজন পতিতাবৃত্তির সাইট ইমেইল করলেন। আরেকজন ক্যারোলিনের সঙ্গেই ডেটিংয়ের প্রস্তাব দিলেন। এ ধরনের সমস্যায় মাঝে মধ্যে মনে হতো, এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়া উচিত।

ক্যালোলিন তার অভিজ্ঞতা থেকে জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মানুষ কেমন সঙ্গী-সঙ্গিনী চান সে সম্পর্কে সচেতন। আমার কাজ হলো, এসব চাহিদার বেশির ভাগটাই যে গুরুত্বহীন তা তুলে ধরা। যেমন- চোখ বা ত্বকের রং, উচ্চতা ইত্যাদি যে জরুরি নয় তা বোঝানো। এমন একজন মানুষ খুঁজতে হবে যার সঙ্গে বাকি জীবন কাটাবেন আপনি। ডেটিং এজেন্সির কাজ হলো তাদের মানসিকতা বা চিন্তা-ভাবনার বাজে অংশটুকু বাদ দেওয়া।

এ কাজের অন্যতম দিকটি হলো, ডেটিংয়ের পর সে সম্পর্কে জুটিদের মন্তব্য পাওয়া। একটা ডেটিংয়ের পর আলাদাভাবে তাদের কথা শোনা হয়। মূলত দুজন মানুষ পছন্দ এবং চাহিদার মিল খুঁজে আসল মানুষটিকে পেয়ে যেতে পারেন। সাধারণত মানুষ প্রথম ডেটিংকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কিন্তু এটা ঠিক না। এ চিন্তাটা স্বাস্থ্যকর নয়।

শেষ পর্যন্ত মনের মতো সঙ্গী-সঙ্গিনী খুঁজে পেতে আত্মবিশ্বাস জরুরি। বিশেষ করে জটিল সিদ্ধান্ত নিতে নিজের ওপর আস্থা থাকা দরকার। সম্পর্ক গড়তে যেকোনো ধরনের প্রয়াস চালানোর প্রস্তুতি থাকতে হবে। এমনকি একটি-দুটি ডেটিং ব্যর্থ হলেও আত্মবিশ্বাস হারানো যাবে না। অবশ্যই বন্ধুত্বপূর্ণ মানসিকতা এবং শক্ত ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হবে। আর এগুলোই হতে পারে এবারের ভ্যালেন্টাইন ডে পছন্দের মানুষটিকে খুঁজে পাওয়ার উপায়।