মেইন ম্যেনু

ভালো এবং ব্যক্তিত্ববান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন নিজেকে

এই পৃথিবীতে অনেক ধরনের মানুষই রয়েছেন। কেউ হয়তবা অনেক ভালো, কেউ অনেক বেশি খারাপ, কেউ আবার মাঝামাঝি পর্যায়ের। কিন্তু মানুষ জন্মগতভাবে কখনই খারাপ থাকে না। জন্মের পর পরিবেশগত কারণে বা অন্য কোনো বাস্তব কারণে খারাপের পথে অগ্রসর হয়। তবু সব মানুষের ভেতরেই একটি পবিত্র সত্ত্বা রয়েছে। পৃথিবীটিতে অনেক খারাপ কাজের মাঝে নিজেকে ভালো রাখাও অনেক কঠিন একটি কাজ। নিজেকে ভালো রাখতে এবং ভালো একজন মানুষ হতে মেনে চলুন ১০টি কৌশল।

১. ইচ্ছা থাকতে হবে :
ভালো মানুষ হয়ে ওঠার জন্য সবার প্রথমে যে বিষয়টি থাকতে হবে সেটি হল ইচ্ছাশক্তি। যত খারাপ পরিবেশেই আপনি বসবাস করেন না কেন আপনি একজন ভালো মানুষ হয়েই বেঁচে থাকবেন এমন ধরনের ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে। ইচ্ছা থাকলেই আপনি পারবেন একজন ভালো মানুষ হতে।

২. বাস্তব হতে হবে :
যদিও বাস্তবতা অনেক বেশি কঠিন। তারপরও ভালো মানুষ হয়ে উঠতে বাস্তবতাকে বুঝতে হবে। ধরুন একজন ছিনতাইকারী যদি বুঝতে শেখে যে সে যার ছিনতাই করতে যাচ্ছে সেটি নিশ্চয় তার জীবনের সঞ্চয়। এটিকে ঘিরে তার অনেক স্বপ্ন গড়ে উঠেছে। তাহলে আর খারাপ কাজটি ঘটে না। বাস্তবিকভাবে চিন্তা করলে একজন ছিনতাইকারীও হয়ে উঠতে পারে একজন ভালো মানুষ। তবে এটা ঠিক যে ছিনতাইকারীরও প্রয়োজন থাকতে পারে। কিন্তু উপার্জনের বহু সৎ পথ তার সামনে খোলা পড়ে রয়েছে। সেগুলোকে অবলম্বন করলে তার ব্যক্তিগত সমস্যাগুলো আর থাকবে না।

৩. পরীক্ষা চালাতে হবে :
ভালো মানুষ হয়ে টিকে থাকতে অনেক ধরনের পরীক্ষা চালাতে হবে। যেমন ধরুন গরীবদের সাহায্য করা, ভালো কাজ করা ইত্যাদি। আপনি ভালো থাকবেন তখনই যখন আপনি পাশের মানুষটিকে ভালো পথের নির্দেশনা দিবেন। এভাবে নানা ধরনের পরীক্ষা চালিয়ে নিজেকে ভালো রাখুন।

৪. শারীরিক ভঙ্গিতে এবং কথায় ভদ্রতা আনতে হবে :
আপনি ভালো মানুষ হতে চাইলে স্বাভাবিকভাবে আপনার কথা এবং শারীরিক ভঙ্গিতে ভদ্রতাসুলভ আচরণ আনতে হবে। আপনার ব্যবহারই অন্যদের বলে দেবে আপনি কতটা ভালো মানুষ। যতটা সম্ভব চেষ্টা করুন ভালো ভাষায় কথা বলতে, সবার সাথে ভালো আচরণ করতে। তাহলে আপনার মাঝে খারাপ ধরনের কোনো চিন্তা আসবে না। ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারবেন।

৫. সহযোগীতা করতে হবে :
অসহায়দের নানা ধরনের সহযোগীতা করার মত মনোভাব আপনার মাঝে থাকতে হবে। আপনার মন কতটা উদার তা নির্ভর করবে অসহায়দের পাশে আপনি কতটা থাকতে পারছেন। শুধু একা একা ভালো থেকে ভালো মানুষ হয়ে ওঠা যায় না। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে হয়।

৬. ভালো কাজ করুন :
সারাদিনে অনেকগুলো ভালো কাজ করার চেষ্টা করুন। খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। এতে করে নিজে ভালো থাকবেন এবং অন্যরাও আপনার কাছ থেকে ভালো কাজ শিখে নিতে পারবে।

৭. সহজভাবে নিন :
আপনি ভালো মানুষ হিসেবে তৈরি করবেন বা আপনার পাশের মানুষটি নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে তৈরি করছেন এই বিষয়টিকে সহজভাবে নিন। কোনোভাবেই এটিকে বাড়াবাড়ি বা দেখানো মনে করবেন না। এসব নেতিবাচক ধারণা মনে রাখলে আপনি কোনোদিনও ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারবেন না।

৮. শারীরিক কসরত শিখুন :
শারীরিক কসরত একজন মানুষকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। বিভিন্ন ধরনের ঝামেলায় আপনি থাকতে পারেন যেমন ধরুন সমাজের কোনো খারাপ কাজে আপনি মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারেন। এমতাবস্থায় যদি শারীরিক কসরতগুলো করতে থাকেন আপনি মানসিকভাবে প্রফুল্ল থাকবেন। কোনো ধরনের সমস্যা আপনার হবে না।

৯. ডায়েরি লিখুন :
অনেকেই বলেন ডায়েরি লেখা জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল কাজ। কিন্তু খেয়াল করে দেখবেন এমন অনেক বিষয়ই সব বন্ধু বা আপনদেরও বলা যায় না। ফলে ডায়েরিতে লিখলে তা মানসিক প্রশান্তি দিয়ে থাকে। ভালো মানুষ হয়ে ওঠার আরেকটি পদ্ধতি হল আপনি ডায়েরি লিখতে পারেন। এতে করে আপনি চাইলেও কোনো খারাপ কাজ করতে পারবেন না।

১০. ধন্যবাদ বলুন :
যেকোনো বিষয়েই ধন্যবাদ বলার চেষ্টা করুন। ধন্যবাদ এমন একটি শব্দ যা আপনাকে অন্যের কাছে ভালো এবং সৎ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। এ কারণে ছোট ছোট বিষয়গুলো থেকে বড় বিষয়গুলোতেও ধন্যবাদ বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
অন্যের কাছে আদর্শ মানুষ হয়ে ওঠার সাতটি উপায়

আপনার কর্মকাণ্ড, অভ্যাস, আচার-ব্যবহার ইত্যাদি যদি হয় ভারসাম্যপূর্ণ ও নিখুঁত তাহলে পরিবারের সদস্য, বন্ধু-বান্ধব কিংবা সহপাঠীরাও আপনাকে অনুকরণ করতে পারে। এ জন্য অবশ্যই আপনার জীবনযাপন হতে হবে অন্যের কাছে আদর্শ। এ লেখায় থাকছে সে ধরনেরই কয়েকটি উপায়, যা অন্যের কাছে আদর্শ মানুষ হয়ে উঠতে সহায়তা করবে আপনাকে।

১. নিজেকে জানুন
অন্যের কাছে আদর্শ মানুষ হওয়ার আগে নিজের কাছেই নিজেকে আদর্শ মানুষ হয়ে উঠতে হবে। এ জন্য নিজেকে জানতে হবে সবার আগে। আর নিজেকে জানার পর যখন নিজেই নিজেকে অভিনন্দন জানাতে পারবেন তখন অন্যরাও আপনাকে অভিনন্দন জানাবে। নিজেকে জানার নানা পর্যায়ে আপনার নিজের শক্তিমত্তা ও দুর্বলতা নিয়ে জানতে হবে। এ জ্ঞান অর্জন না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিষয়েই আপনি অনিশ্চিত অবস্থায় থাকবেন।

২. ভালো কাজ করুন
বৃদ্ধ প্রতিবেশীকে নানা কাজে সাহায্য করুন, স্থানীয় দাতব্য সংস্থায় স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করুন কিংবা অসহায়ের সহায়তায় এগিয়ে যান। আপনার যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে অন্যদের সাহায্য করা হতে পারে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। এ কাজ দিয়েই আপনার এগিয়ে যাওয়া উচিত। মনে করে দেখুন, সবশেষ কোন সময়ে আপনি এ ধরনের ভালো কাজ করেছেন? ভালো কাজ করার ফলে নিজের যেমন ভালো হবে তেমনি অন্যদের কাছেও অনুকরণীয় বলে মনে হবে নিজেকে।

৩. ইতিবাচক হোন
ইতিবাচক চিন্তাভাবনা মানুষের মানসিকতা উন্নত করার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। এ ইতিবাচক মনোভাবের মধ্যে থাকতে পারে ভালো বিষয়কে উৎসাহিত করা। বিশেষ করে ভালো কাজের জন্য অন্যকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করতে ইতিবাচক মনোভাবের প্রয়োজন রয়েছে। আর নেতিবাচক কর্মকাণ্ড ও কাজ বর্জন করাও অতি প্রয়োজনীয়।

৪. স্বাস্থ্যকর খাবারের অনুসারী হোন
স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ায় বহু উপকার। আর আপনার স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস হতে পারে অন্যদের জন্য অনুকরণীয়। বিশেষ করে আপনার সন্তান, পরিবারের সদস্য ও বন্ধু-বান্ধবের মধ্যে অনেকেরই স্বাস্থ্যকর খাবারের বিষয়ে ধারণা নাও থাকতে পারে। তাদের এ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হতে পারে একটি ভালো উদ্যোগ। আর এর মাধ্যমে আপনার স্বাস্থ্যগত মূল্যবোধও তাদের অনুপ্রাণিত করতে পারে।

৫. শারীরিক অনুশীলনে অন্যদের অনুপ্রেরণা দিন
আপনার দৈনন্দিন কার্যক্রমের মধ্যে রাখুন শারীরিক অনুশীলনের মতো স্বাস্থ্যগত বিষয়। এরপর আপনার যে স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা রয়েছে, তা অন্যদের অনুপ্রেরণার কাজে ব্যবহার করুন। বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত শারীরিক অনুশীলনে আপনার সঙ্গী করুন।

৬. বাজে অভ্যাস বাদ দিন
আমাদের অনেকেরই বাজে অভ্যাস রয়েছে। আপনার বাজে অভ্যাসগুলো নির্ণয় করুন। যেসব বাজে অভ্যাস অন্যদের আঘাত করে সেগুলো বাদ দিন সবার আগে। এরপর সব বাজে অভ্যাস ঝেড়ে ফেলে সুস্থ অভ্যাস গড়ে তুলে অন্যের কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠুন।

৭. ভুল স্বীকার করুন, ক্ষমা প্রার্থনা করুন
আপনার কোনো কর্মকাণ্ড বা ভুলের কারণে অন্য কেউ যদি আঘাত পায় তাহলে দেরি না করে তার কাছে ভুল স্বীকার করুন। ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার মধ্যে দোষের কিছু নেই। মানুষ যখন অতিরিক্ত আত্মতুষ্টিতে ভোগে তখন ক্ষমা প্রার্থনার কথা ভুলে যেতে পারে। এটা অনেকটা কল্পরাজ্যে বসবাসের মতো। কিন্তু বাস্তব পৃথিবীতে মানুষের ভুল হবে এবং সে ভুলের কথা স্বীকার করাই ভালো।

১৩টি সহজ উপায়ে ফুটিয়ে তুলুন নিজের ব্যক্তিত্ব

আমাদের সকলের জীবনেই অনুসরনীয় বা অনুকরণীয় কেউ না কেউ আছেন যার ব্যক্তিত্ত্ব, আচরণ, কথাবার্তা আমাদের মনে গভীরভাবে ছাপ ফেলে যায়। কিন্তু কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কি, তাঁরা কিভাবে সবার প্রিয় হয়ে উঠলেন?

লক্ষ্য করে দেখুন, তাঁরা কেউ কিন্তু নিজের সুন্দর চেহারার জন্য আপনার কাছে প্রিয় নন, বরং এই প্রিয় হবার পেছনে আছে আর গুরুত্বপূর্ণ একটা কারণ। তাঁরা সকলের কাছে প্রিয় হবার কারণ হলো তাদের উজ্জল ব্যক্তিত্ব। আর নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারলে তাঁদের মতন আপনিও হয়ে উঠতে পারেন সবার আকাঙ্ক্ষিত।

তবে প্রথমেই মনে রাখবেন, সবার আকাঙ্ক্ষিত হতে চাইলে আপনাকে হতে হবে একজন ভালো মানুষ। তারপর আসবে অন্য সব দিক। আসুন নিজের ব্যক্তিত্ত্বকে বিকাশ করতে কি করা যেতে পারে তা জেনে নেই।

• ১) নিজের একটি সুন্দর ও পৃথক ব্যক্তিত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করুন। কারো অনুকরণ করে নয়, বরং সবাই যেন আপনাকে অনুসরণ করতে চায় সেভাবেই নিজেকে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। আর এই জন্য, আপনি যেমন আছেন তেমন থাকারই চেষ্টা করুন। জোর করে কোনও কিছু নিজের ওপরে আরোপ করতে যাবেন না।

• ২) যখন যে কাজটি করছেন তখন শুধু সেই কাজেই মনোযোগ দিন। অর্থাৎ কর্মক্ষেত্রে যখন আছেন তখন সেখানেই মনোযোগ ধরে রাখুন, আবার যখন পরিবার বা বন্ধুবান্ধবের সাথে আছেন তখন তাদের সাথেই সময় কাটান। এভাবে আপনি নিজের শতভাগ ব্যবহার করতে পারবেন।

• ৩) মানুষ হিসেবে যে সম্মানটা আপনি অন্যদের কাছ হতে আশা করেন, ঠিক তেমনই অন্যদেরকে সম্মান দিতে শিখুন। বড়দের করুন শ্রদ্ধা আর ছোটদের দিন স্নেহ।

• ৪) আপনার চাইতে নিচের পদের লোকদের সাথে যথাযথ আদবের সাথেই কথা বলুন। একজন ব্যক্তি রিকশা চালায় বলেই তাকে তুই করে বলতে হবে, বা বাসার কাজের মানুষটি আপনার থেকে বয়সে বড় হলেও কাজের মানুষ হয়েছেন বিধায় তাঁকে অপমান করে কথা বলার অধিকার আপনি রাখেন না। যিনি নিজের চাইতে ছোট পদের মানুষদের সাথে ভালো আচরণ করতে পারেন না, তিনি কোনোদিনই একজন ভালোমানুষ হতে পারেন না।

• ৫) অন্য ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা থেকে দৃঢ়ভাবে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন, আপনার নিজেরও ব্যক্তিগত একটি জীবন আছে যেখানে অন্যলোকের হস্তক্ষেপ আপনার পছন্দ হবেনা। যদি তাই হয় তবে অন্যের ব্যাপারে কেন নাক গলাতে যাবেন?

• ৬) সব সময় “ফরমাল” বা খুব দামী পোশাক পরে সেজেগুজে থাকলেই স্মার্টনেস আসবে তা নয়, তবে একদম অপরিষ্কার থাকলেও তো চলবে না। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকার চেষ্টা করুন। আপনার শরীরের দুর্গন্ধে যদি অন্য কারো সমস্যা হয় তবে তা তো আপনাকে স্মার্ট হিসেবে তুলে ধরবে না। পোশাক যেমনি হোক, তা জেন পরিপাটি আর পরিছন্ন হয় সেটাই খেয়াল রাখবেন।

• ৭) অপ্রয়োজনীয় ও ফালতু কথা বলবেন না এবং অন্যদেরকেও বলতে উৎসাহিত করবেন না। বেশি কথা বলাই স্মার্টনেস এর লক্ষন নয়, বরং পরিস্থিতি মোতাবেক প্রয়োজনীয় কিন্তু জোরদার কথা বলুন। অপ্রাসঙ্গিক কথা বা মন্তব্য জীবনের সব ক্ষেত্রেই আপনার ব্যক্তিত্বকে খাটো করে। এমনকি লক্ষ্য করে দেখবেন যে একটি অপ্রাসঙ্গিক ফেসবুক কমেন্ট পর্যন্ত আপনাকে কতটা খেলো করে ফেলে অন্যের চোখে।

• ৮) সব কিছুই করলেন পরামর্শ মতন, কিন্তু দিন শেষে যদি আপনার মাঝে নিজেকে নিয়ে যদি প্রশ্ন রয়ে যায়, তাহলে আর নিজেকে স্মার্ট হিসেবে তৈরি করবেন কিভাবে? তাই অতি অবশ্যই নিজের উপরে বিশ্বাস আনুন। আপনি আত্মবিশ্বাসী না হলে তো অন্যরাও তো আপনার প্রতি আস্থা আনতে পারবে না, তাই না? আত্মবিশ্বাসী মানুষের আলাদাই একটি ব্যক্তিত্বের ছটা থাকে।

• ৯) নিজেকে ব্যক্তিত্ববান দেখাতে গিয়ে আবার অতিরিক্ত ভাব বা মুড দেখাতে যাবেন না যেন। অতিরিক্ত ভাব দেখালেই কেউ স্মার্ট হয়ে যায়না, বরং স্মার্টনেস কমিয়েই দেয় আপনার আলগা এই ভাব।

• ১০) রপ্ত করুন সুন্দর করে কথা বলার অভ্যাস। আপনি সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বললে যে কেউ আপনার কথার মূল্য দিতে বাধ্য। সেই সাথে ঘরের বাইরে এড়িয়ে চলুন আঞ্চলিকতাকে। কথা বলার সময় সরল সহজভাবেই কথা বলুন, বাঁকা কথা বা অতিরিক্ত জটিল কথা বলে নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করতে চাইলে বোকা বনে যাবার সম্ভাবনাই বেশি। আর অবশ্যই সকলকে সম্মান দিয়ে কথা বলুন।

• ১১) কথা বলার সময় আই কন্টাক্ট করার চেষ্টা করবেন এবং হাসি মুখে কথা বলার চেষ্টা করবেন। এতে আপনার কথার প্রতি আপনার আস্থা প্রকাশ পাবে। এবং সামনের মানুষটিও আপনার ওপরে আস্থা খুঁজে পাবে।

• ১২) কথা বলার সময় সুন্দর সুন্দর শব্দ চয়ন করুন, এছাড়াও নিজের মাতৃভাষাকে ভালোভাবে জেনে শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করুন। অন্য ভাষাইয় কথা বলার আগে নিজের ভাষা সম্পর্কে জানুন। যে ব্যক্তি নিজের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানেন না, তিনি কোনোদিনই একজন ব্যক্তিত্ববান মানুষ হতে পারেন না।

• ১৩) অপরের কৃতিত্বের জন্য প্রশংসা করতে শিখুন। তাদের অর্জনকে হিংসা করতে যাবেন না। অন্যকে কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দিতে পারে কেবলই একজন সঠিক ব্যক্তিত্ববান মানুষ।

এই তো রইলো পরামর্শ, তবে পালন করার দায়িত্বটি কিন্তু আপনার। একটু চেষ্টা করেই দেখুন, খুব কঠিন কিছু কিন্তু নয়। কিন্তু এই ব্যাপার গুলোই আপনাকে করে তুলবে আরও আকর্ষণীয় ও ব্যক্তিত্ববান একজন মানুষ।