মেইন ম্যেনু

‘ভালো কর্মসংস্থানে’র পথ দেখাবেন মাশরাফি

জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনডিপির শুভেচ্ছাদূত হওয়ার আনুষ্ঠানিক চুক্তির পর মাশরাফি জানিয়েছেন, বাংলাদেশে তার কাজটা হবে তরুণদের নিয়ে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তিনি জানাবেন, কীভাবে ভালো কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ পাওয়া যায়।

ইউএনডিপি শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি মাশরাফি। তার আগে আরও তিনজন ক্রিকেটার সংস্থাটির শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ পান। এরা হলেন শচীন টেন্ডুলকার, শহীদ আফ্রিদি ও মুত্তিয়া মুরালিধরন। এরা সবাই জাতীয় পর্যায়ে ইউএনডিপির দূত ছিলেন।

সংস্থাটির বৈশ্বিক দূত হিসেবে কাজ করছেন টেনিস মারিয়া শারাপোভা। মাশরাফিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে জাতীয় দূত হিসেবে।

তরুণদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত অধিনায়ক মাশরাফি। সংস্থাটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘তরুণদের নিয়ে কাজ করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ইউএনডিপিকে ধন্যবাদ। আমার সব সময় স্বপ্ন ছিলো বাংলাদেশের তরুণদের নিয়ে কাজ করার। সে হিসেবে এটা আমার জন্য খুব ভালো একটা সুযোগ। আমার মনে হয়, খেলাধুলার পাশাপাশি আমি কাজটা করতে পারবো ‘ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সহায়তায় কিংবা নিজের উদ্যোগেও আমি তরুণদের জন্য কিছু করতে চাই। এ জন্য প্রস্তাবটা আসার পরই দ্রুতই তা গ্রহণ করেছি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার কাছে এটি স্বপ্ন পূরণ হওয়ার মতো ব্যাপার। আমি চেষ্টা করবো আমার সেরাটা দেয়ার। আমাদের দেশের তরুণদের প্রতি আমার প্রবল বিশ্বাস আছে। আশা করছি তরুণরাই উন্নয়নশীল দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে উন্নীত করবে। ক্রিকেট খেলার পরও অনেক সময় থাকে। তখনই আমি এটা করতে পারবো। মনে হয় না খুব কঠিন হবে।’

ইউএনডিপি, আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ওয়াটকিনস তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমাদের কার্যক্রমে যুক্ত করার জন্য সবচেয়ে আদর্শ ব্যক্তিকেই আমরা বেছে নিয়েছি। যে মাঠ ও মাঠের বাইরে দুর্দান্ত পারফর্মার। আমরা বিশ্বাস করি তার ইতিবাচক ভাবমূর্তি তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে দারুণভাবে কাজে দিবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪৪ শতাংশই তরুণ। এদের মধ্যে ৭০ শতাংশেরই কর্মসংস্থান নেই। আমরা বিশ্বাস করি, তাদেরকে কর্মসংস্থান খুঁজে পেতে মাশরাফির মাধ্যমে আমরা সহায়তা করতে পারবো। তরুণদের নিয়ে আমরা যে কাজ করি, মাশরাফিদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সেই কাজটা আরও গতি পাবে বলে বিশ্বাস করি।’