মেইন ম্যেনু

ভালো ঘুমের জন্য করণীয়

ঘুম না আসার সমস্যায় ভুগছেন? লম্বা সময় ধরে ভালো ঘুম না হলে মেজাজ যেমন খারাপ থাকে তেমনি স্বাস্থ্যহানিও হয়। ঘুম একপ্রকার এনার্জি সেভিং-এর মতো কাজ করে, যা আপনাকে সারাদিনের ধকল পোহাতে সাহায্য করে। শান্তির এই ঘুমের জন্য অনেকেই রাতের পর রাত অপেক্ষা করে। চলুন জেনে নেই রাতে ভালো ঘুম হওয়ার কিছু টিপস।

ঘুমোতে যাবার এবং ঘুম থেকে উঠার সময় নির্ধারণ করুন :
সময় নির্ধারণ না করা, আপনার ঘুম না হওয়ার একটি বড় কারণ হতে পারে। আপনি ভালো জানেন কোন সময়টি আপনার ঘুমের জন্য ভালো। সেই অনুযায়ী একটি রুটিন তৈরি করে নিন। আপনি যদি প্রাপ্ত বয়স্ক হন তবে দৈনিক কমপক্ষে ৮-৯ ঘন্টা ঘুমানো উচিত এবং ১৮ বছরের নিচে হলে কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। এবং সময় নির্ধারণ করে। ধরুন আপনি ঘুমোতে যাবার সময় নির্ধারণ করেছেন রাত ১১ টা। আপনাকে সেই সময়েই ঘুমোতে যেতে হবে। এতে আপনার ব্রেইন প্রতিদিন একটি রুটিনে পরে যাবে এবং ধীরে ধীরে ঠিক সময়ে ঘুমের অভ্যাস হয়ে যাবে।

সময় সম্পর্কে সজাগ হোন :
আপনি যদি প্রাপ্ত বয়স্ক হন তবে আপনার দৈনিক ৮-৯ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। নয়তো আপনার শরীর ঠিকমতো কাজ করতে পারবে না। এজন্য আপনাকে সময় নির্ধারণ করে ঘুমোতে যেতে হবে। এবং এটি কেবল এক বা দুই দিনের জন্য নয়, এটি প্রায় ৩-৪ সপ্তাহ টানা করতে হবে, তবেই আপনি একটি নির্দিষ্ট নিয়মে নিজেকে আনতে পারবেন। এবং ঠিক সময়ে ঘুমাতে এবং উঠতে পারবেন ।

অল্প ঘুমিয়ে নিন :
যদিও আপনি একটি রুটিন বানিয়ে ঘুমাচ্ছেন বা ঘুম থেকে উঠছেন, তবুও পরিবার, বন্ধুবান্ধব, পরিবারের ছোট সদস্যদের জন্য ঠিকমতো ঘুমানো যায় না। তাই কাজের ফাঁকে ১৫-৩০ মিনিটের জন্য একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এতে ক্লান্তি যেমন দূর হবে তেমনি কাজেও মন বসবে।

স্বাভাবিক ঘুমের সময় খুঁজে বের করুন :
মানুষ একে অন্যের চেয়ে আলাদা এটিই স্বাভাবিক। তাই ঘুমের সময়টাও ভিন্ন হবে এটাই স্বাভাবিক। আপনার ঘুমের সময় যদি ৮-৯ ঘন্টার কাছাকাছি বা একটু বেশি হয় তবে কোন রুটিন বানানোর প্রয়োজন নেই।

ঘুমের জায়গাটি পরিষ্কার এবং বড় রাখুন :
ঘুমের জায়গাটি সবসময় আরামদায়ক রাখুন। ঘরের পরিবেশকে মনোরোম রাখুন। বিছানায় নরম বালিশ রাখুন, যাতে ঘুমোনোর সময় ঘাড়ে ব্যথা না হয় এবং আপনি শান্তিতে ঘুমাতে পারেন।

ধুমপান থেকে বিরত থাকুন :
ধূমপান একপ্রকারের আসক্তি। যার জন্য আপনার মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যেতে পারে, এবং ঘুম অসম্পূর্ণ থেকে যেতে পারে। তাই ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।

ব্যায়াম করুন :
ব্যায়াম আপনার শরীরকে সুস্থ রাখবে যেমন তেমনি ঘুমের ক্ষেত্রেও এটি কার্যকারী। ব্যায়াম করলে শরীর প্রচুর ক্লান্ত হয়ে পরে যা আপনাকে ঘুমাতে সাহায্য করে। তাই ঘুমোনোর ৪ ঘন্টা আগে হালকা বযায়াম করে নেওয়া ভালো।