মেইন ম্যেনু

ভালো ছাত্ররা মেনে চলে যেসব অভ্যাস

ভালো শিক্ষার্থী হতে হলে কী দারুণ মেধাবী হতে হয়? নাকি অধ্যাবসায় এবং নিয়মানুবর্তিতা বেশি জরুরী। জীবনের সব ক্ষেত্রেই কিন্তু ভালো কিছু অভ্যাস বড় ভূমিকা রাখতে পারে, শিক্ষাক্ষেত্রও তার ব্যতিক্রম নয়। কিছু অভ্যাস বশে আনতে পারলেই ভালো ফলাফল করাটা অনেক সহজ হয়ে পড়বে। চলুন, দেখে নিই এমন কিছু অভ্যাস।

১) সময়মত ঘুম থেকে ওঠা
অনেকেই সকালে সময়মত ঘুম থেকে ওঠার জন্য অ্যালার্ম দিয়ে রাখেন। কিন্তু অ্যালার্ম বাজার পর আবার স্নুজ বাটন চেপে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু তা মোটেই একজন ছাত্রের করা উচিৎ নয়। কারণ এভাবে ঘুমের রুটিন উল্টোপাল্টা হয়ে যায়, সারাদিন ক্লান্ত লাগে, রাত্রেও ঘুম সময়মত আসে না। একজন ছাত্রের ঘুম ঠিক হওয়াটা খুব জরুরী। এ কারণে রাত্রে সময়মত ঘুমিয়ে সকালে অ্যালার্ম বাজার সাথে সাথেই ঘুম থেকে উঠে পড়ুন।

২) দ্রুত বাইরে বের হবার জন্য তৈরি হওয়া
ঘুমের পোশাক পরে যতক্ষণ থাকবেন ততক্ষণ ইচ্ছে করবে বিছানায় গড়িয়ে নিতে, আলসেমি করতে। ঘুম থেকে উঠে দ্রুত ফ্রেশ হয়ে বাইরের পোশাক পরে ফেলুন। আগের দিন রাত্রেই পোশাক ঠিক করে রাখুন। এতে সকালে সময় নষ্ট হবার সম্ভাবনা কম থাকবে। আলসেমিও কম হবে।

৩) পুষ্টিকর নাশতা
পড়াশোনায় ভালো করার জন্য সুস্থ দেহ এবং মন জরুরী। আর তার জন্য পুষ্টিকর খাবার দরকার বটে। আপনি যদি সকালে কোনোমতে চা-বিস্কুট খেয়ে বের হয়ে যান তাহলে সারাদিন মাথা কাজ করবে না। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, হোল গ্রেইন এবং প্রোটিন আছে এমন ব্রেকফাস্ট করাটা ছাত্রদের জন্য জরুরী। এমনকি আগের দিনের ভাত-তরকারিও গরম করে খেতে পারেন, কোনো বাধা নেই।

৪) হোমওয়ার্ক এবং অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করা
পড়াশোনায় ভালো করার জন্য শুধু ক্লাস এবং পরীক্ষায় ভালো করাই জরুরী না, হোমওয়ার্ক এবং অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করে জমা দেবার ক্ষেত্রেও মনোযোগী হতে হবে। শেষ মুহূর্তে হোমওয়ার্ক করার মতো ঝামেলা তৈরি না করাই ভালো।

৫) তাড়াহুড়ো একদম না
মূলত সকালে ভীষণ তাড়াহুড়োয় পড়ে যান বাচ্চাদের বাবা-মা এমনকি ছাত্ররা নিজেরাও। ঘুম থেকে দেরি করে ওঠা, পোশাক ঠিক না থাকা, ব্যাগ ঠিক না থাকা, ফলে ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া এসব ঝামেলা হয় অনেকেরই। ফলে অনেক সময়ে বকাবকি করতে থাকেন বাবা-মা। কিন্তু সময় কম থাকলেও শান্ত থাকুন। তাড়াহুড়ো করবেন না। দরকার হলে ছোট কোন কাজ বাদ দিতে পারেন যেমন চুল আঁচড়ানো বা জুতো পলিশ করা।

৬) রুটিন মেনে চলা
রুটিন অনুযায়ী চলার সুবিধা হলো আপনি জানেন কোন কাজের পর কোন কাজ আসছে, ফলে আপনার কোনো অনিশ্চয়তায় পড়তে হবে না। আর সবসময় একই রুটিন মেনে চললে আপনার পড়াশোনার গতি থাকবে ঠিক।

এছাড়াও যা যা করতে পারেন-
– সঙ্গীতচর্চা
– কিছু সময় মেডিটেশন অথবা প্রার্থনা
– নিয়মিত ব্যায়াম
– সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া
– পড়াশোনার সময়ে পড়াশোনা, বিশ্রামের সময়ে বিশ্রাম
– এক জায়গায় বসে পড়াশোনা না করে মাঝে মাঝে জায়গা বদল