মেইন ম্যেনু

‘ভুটানের জলবিদ্যুতে অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ’

ভুটানের সঙ্গে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে অংশীদার হতে চেয়েছে বাংলাদেশ।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের টিসিবি ভবনের বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটে বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ-ভুটানের সচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার রায়, ভুটানের যুগ্ম সচিব সোনাম পি ওয়ান্ডি ছাড়াও ভুটান ও বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভুটান বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ রপ্তানি করবে এমনটি দীর্ঘদিন শোনা গেলেও বিষয়টি এখনো ঝুলে থাকার কারণ জানতে চাইলে মনোজ কুমার রায় বলেন, ‘জলবিদ্যুতের বিষয়টি ঝুলে আছে এটা ঠিক নয়। জলবিদ্যুৎ নিয়ে আলোচনা চলছে। আমরা জলবিদ্যুৎ আমদানি করতে চাই। কিন্তু ভুটানের সঙ্গে সরাসরি বর্ডার না থাকায় সরাসরি বিদ্যুৎ আমদানিতে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। এ জন্য আরো কিছু কাজ বাকি রয়েছে। যা পূরণ হলেই ভুটানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে অংশীদার হতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘কিছু প্রক্রিয়া নিরসনে ভুটান বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আশা করি দুই দেশের আলোচনায় বিষয়টি সমাধান হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভুটানে বাংলাদেশি ৯০টি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুযোগ পাচ্ছে। এদেশে ভুটানের ১৮টি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের সুযোগ পাচ্ছে। তবে নতুন করে ভুটান ট্রেট্টা প্যাক জুস, পাথর শুল্কমুক্ত সুবিধা চায়। বংলাদেশ ভুটানে পেয়ারা ও আনারস শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চেয়েছে। এ নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিন্ধান্ত নেবে দুই দেশ।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, পণ্যের মান নিয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানের মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মধ্যে ভিন্নমত ছিল। ফলে কাঁচামালের ছাড়পত্রের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে নষ্ট হয়ে যেত অনেক পণ্য। এ সমস্যা সমাধানে উভয় দেশের মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে।

ভুটানের যুগ্ম সচিব সোনাম পি ওয়ান্ডি বলেন, বাংলাদেশে যোগাযোগ অবকাঠামো ভালো। ফলে বাংলাদেশের নদীপথ বিশেষ করে চট্টগ্রাম, মংলা ও বুড়িমারী বন্দর ব্যবহারের অনুমতি চায় ভুটান। এতে দুই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্যবসা বাণিজ্যের আরো প্রসার ঘটবে।