মেইন ম্যেনু

ভুটানে বাংলাদেশ ফুটবলের সমাধি!

দিনটা বাংলাদেশ ফুটবলের কালো দিবস হয়েই থাকবে। ভুটানের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছে মামুনুলরা। এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে যেতে ব্যর্থ বাংলাদেশ। তার চেয়েও বড় কথা আগামী তিন বছরের জন্য ফিফা ও এএফসির কাছ থেকে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ পাবে না বাংলাদেশ। খেলার আগে নিশ্চয়ই এসব শুনেই মাঠে নেমেছিলেন মামুনুল, এমিলিরা!

আজ সোমবার সন্ধ্যায় ভুটানের থিম্পুতে রচিত হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবলের শোকগাঁথা। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের প্লে অফের ফিরতি ম্যাচে ভুটানের কাছে ৩-১ গোলে অপদস্থ হয়েছে বাংলাদেশ। চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের ওপর দাপট দেখিয়ে জয় ছিনিয়ে নিল ভুটান। এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সামনে শর্ত ছিল ড্র অথবা জয়। আর ভুটানের প্রয়োজন ছিল কেবলই জয়। ঢাকায় ভুটানের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছিল বাংলাদেশ।

এই প্রথমবারের মতো ভুটানের কাছে হারল বাংলাদেশ। আজ ছিল ভুটানের বিপক্ষে ১২তম ম্যাচ। এর আগের ১১টি ম্যাচের আটটিতেই জয়ী হয় বাংলাদেশ। ড্র হয় তিনটি ম্যাচ।

আজ সন্ধ্যায় ভুটানের কমলা রঙের জার্সির বিরুদ্ধে সবুজ- সাদা জার্সির লড়াই ছিল একেবারেই মলিন। কেউ না বললে মনে হয়েছিল, নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে খেলছে বাংলাদেশ! পুরো ম্যাচে এমনই প্রভাব বিস্তার করে খেলেছে ভুটান।

ম্যাচের তিন মিনিটেই বাংলাদেশের জালে বল পাঠায় ভুটান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ২৪ মিনিটে আরেকটি গোল। দুই গোলে এগিয়েও দমে যায়নি ভুটান। দুই দিক দিয়ে আক্রমণ করে তটস্থ করে রাখে বাংলাদেশকে। প্রথমার্ধ ওভাবেই শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে একাধিকবার। ৬০ মিনিটে গোল করেন মামুনুল। আশা জাগে, অন্তত একটা ড্র নিয়ে ফিরতে পারবেন মামুনুলরা। কিন্তু ৭৬ মিনিটেই আবার গোল পেয়ে যায় ভুটান। গেলসন যখন তৃতীয় গোলটি করেন বাংলাদেশের রক্ষণভাগে ছিল বিশাল ফাঁক। গেলসনই দুই গোল করেন। আর তিন মিনিটে গোল করেন দর্জি।

খেলার ৮০ মিনিটের দিকে পেনাল্টিও পায় ভুটান। গোলরক্ষক রানা তা ফিরিয়ে না দিলে ব্যবধান আরো বাড়তে পারত।