মেইন ম্যেনু

ভূত ছাড়াতে ধর্ষণ : অতঃপর ঘটে গেল এক লোমহর্ষক ঘটনা

কথিত ‘ভূতে ধরা’ ১৬ বছরের এক মেয়েকে ধর্ষণের পর তার দুই চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। এমন লোমহর্ষক ঘটনার জন্য অভিযুক্ত হয়েছেন স্বয়ং ওই মেয়ের পরিবারের সদস্যরা। বর্তমানে মেয়েটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

দ্যা ডেইলি মেইলের অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ল্যাটিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিার এক দরিদ্র পরিবারে সম্প্রতি এমন ঘটনা ঘটেছে। কিছুদিন আগে মেয়েটি কয়েকটি ছাগল চড়িয়ে বাড়ি ফিরলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা মনে করে মেয়েটির শরীরে ‘ভূতের’ আঁচড় হয়েছে। পরে তারা স্থানীয় ধর্মযাজককে ডেকে পাঠায়।

মেয়েটির পরিবার দাবি করে, ওই ধর্মযাজকের পরামর্শে একটি বন্ধ ঘরে আটকে রেখে মেয়েটিকে উপর্যুপড়ি ধর্ষণ করা হয়। পরে ধর্মযাজক তার পরিবারকে আশ্বাস দেন যে, তার দুই চোখের মনি উপড়ে ফেললে মেয়েটির শরীর থেকে ‘ভূত’ চলে যাবে এবং সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে। এমনকি পরিবারের উপর থেকে ভূতের কুদৃষ্টি চলে যাবে।

স্থানীয় ধর্মযাজকের কথামতো এমনটাই করেন মেয়েটির বড় বোন। একটি ছুড়ির সাহায্যে নিষ্ঠুরভাবে মেয়েটির দুই চোখের মনি উপড়ে ফেলে তার বোন। কিন্তু পরমুহুর্তেই মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে আর্জেন্টিনার পিরান্ডো ডি রেসিসটেন্সিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।