মেইন ম্যেনু

ভেনিজুয়েলা থেকে পালাচ্ছেন ব্রাজিলের সিনেটররা

ভেনিজুলেয়া সফরে এসে হামলার শিকার হয়ে পালাতে হচ্ছে ব্রাজিলের আটজন সিনেটরকে। ভেনিজুয়েলার একজন কারাবন্দি বিরোধী নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন তারা।

বিবিসি অনলাইনের এক খবরে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষ উসকে দেওয়ার অভিযোগে কারাদ-প্রাপ্ত ব্রাজিলের বিরোধীদলীয় নেতা লিওপোলডো লোপেজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা ব্রাজিলীয় রাজনীতিকদের। ব্রাজিল থেকে আসা সিনেটর দলের সঙ্গে আছেন দেশটির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী অ্যাসিও নেভেস।

দলটির অভিযোগ, ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের বিমানবন্দর থেকে শহরের মধ্যে প্রবেশের সময় তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়েছে।

ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনার জন্য ভেনিজুয়েলা সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে।

ব্রাজিলীয় সিনেটর রোনালদো কাইয়াদো তার টুইটার পেজে লিখেছেন, ‘আমাদের গাড়ি অবরোধ করা হয়। অবরোধীকারীরা গাড়িতে আঘাত করতে থাকে এবং ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে। যারা পাথর ছুড়ে মারছিল, আমি তাদেরকে ভিডিওতে ধারণ করেছি।’

অ্যাসিও নেভেস বলেছেন, ‘আমরা এখানে গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলার জন্য এসেছি। কিন্তু ভেনিজুয়েলা সরকার এখনো এ ব্যাপারে আমাদের প্রতি সাধুবাদ জানায়নি।’

হামলার মুখে পালিয়ে ব্রাজিলীয় সিনেটররা শহর থেকে কারাকাসের বিমানবন্দরে ফিরে গেছেন। দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

এ মাসের শুরুতে ভেনিজুয়েলা সফরে আসেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী ফিলিপ গঞ্জালেস। তিনি দেশটির বিরোধীদলীয় কারারুদ্ধ নেতা লোপেজের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। বিবিসি জানিয়েছে, এ কারণেই সফরসূচির নির্ধারিত সময়ের আগেই ভেনিজুয়েলা ছাড়তে বাধ্য হন গঞ্জালেস।

গত বছর প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় বিরোধীদলগুলোকে উসকে দেওয়ার অভিযোগে কারাদণ্ড দেওয়া হয় লোপেজকে। ওই সময় উভয় পক্ষের ৪০ জন কর্মী-সমর্থক নিহত হয়।

ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো বিরোধী নেতার প্রতি বৈদেশিক সমর্থনকে ভয় পান। যে কারণে তার সঙ্গে কারো সাক্ষাৎ হোক, তা তিনি চান না।

ব্রাজিলীয় সিনেটরদের গাড়িতে হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ভেনিজুয়েলা সরকার।