মেইন ম্যেনু

বিদ্যালয় গুলোতে ছাত্রীর সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে

ভোলার চরফ্যাশনে বাল্য বিয়ের হিড়িক

ভোলা চরফ্যাশনে বাল্য বিয়ের হিড়িক, বাল্য বিয়ের কারণে বিদ্যালয়গুলোতে দিন দিন ছাত্রীর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। ২২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর শহরে কাজী, চেয়ারম্যান, মেম্বার ও কিছু স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে এবং কিছু অসেচেতন অভিবাবকদের কারণে এ বাল্য বিয়েগুলো হচ্ছে বলে একাধিক শিক্ষক জানান।

এসব বাল্য বিয়ের কারনে স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্রী সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাওয়ার অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মাদ্রাসা সুপার।

অভিযোগে করে তিনি জানান, গত ১মাসে তার প্রতিষ্ঠানের সপ্তম,অষ্টম,নবম ও দশম শ্রেনীর প্রায় ১২জন ছাত্রী বাল্য বিয়ের শিকার হয়ে মাদ্রাসা ছেড়ে সাংসারিক জীবনে প্রবেশ করেছে। মাদ্রাসা সুপার সংবাদ কমীদের এসব বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।এছারা শশীভূষণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামাল হোসেন জানান, গত এক মাসে শশীভূষণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম,নবম ও দশম শ্রেনীর কয়েকজন ছাত্রী বাল্য বিয়ের শিকার হয়ে সাংসারিক জীবনে প্রবেশ করেছে।

জানা যায় গত এক সপ্তাহে শশীভূষণে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেনীর কয়েকজন ছাত্রী বাল্য বিয়ের শিকার হয়েছেন।গত অক্টোবর মাসে চরমানিকা ইউনিয়নের চর কচ্ছপিয়া এলাকার নীলিমা জ্যাকব বিদ্যালয়ের জেএসসি পরিক্ষার্থীর রসুলপুর এলাকার যুবকের সাথে বাল্য বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে দক্ষিণ আইচা থানার পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম স্বীকার করেন।

স্থানীয় কিছু অসাধু লোভী রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের সহযোগীতায় এসব বাল্য বিয়ে সম্পন্ন করে থাকে। । এবাবেই চরফ্যাশনের প্রতিটি স্কুল,কলেজ,ও মাদ্রাসার সপ্তম,অষ্টম,নবম ও দশম এমনকি পঞ্চম ও ষষ্টম শ্রেনীর ছাত্রীদের বাল্য বিয়ের পিড়িতে বসতে হচ্ছে।

এ ছাড়া আইন প্রয়োগ কারীসংস্থার কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যয়ন পত্রের সহযোগিতায় চরফ্যাশনে বাল্য বিয়ের প্রবনতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ ব্যাপারে ইউনিয়নের কাজীগন বাল্য বিয়ে প্রসঙ্গে বলেন , আমরা জম্ম নিবন্ধন দেখে বিয়ের রেজি: সম্পন্ন করে থাকি।

স্থানীয় সুত্রেগুলো জানায় , গত এক মাসে চরফ্যাশনে প্রায় শতাধিক বাল্য বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এনামুল হক জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবস্থা নিতে পারে।

পুলিশ সকল কাজ করতে পারেনা। চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রেজাউল করিম বলেন, আমার জানা মতে চরফ্যাশনে কোন বাল্য বিয়ে হচ্ছে না। এছারা এসকল বাল্য বিয়ে সম্পকে আমাকে কেউ অবহিত করে নাই।