মেইন ম্যেনু

ভোলার চরফ্যাশনে অজ্ঞাত নারীর লাশের পরিচয় আজও মেলেনি

ভোলার চরফ্যাশনের আসলামপুর ইউনিয়নে প্রায় ১৫ মাস আগে খোদেজা বাগ গ্রামের পাকা সড়কের কালভার্টের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবতীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে চরফ্যাশন থানায় অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে পরিকল্পিত হত্যার পর লাশ গুমের অপরাধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট বলছে, গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে যুবতীকে হত্যা করা হয়েছে।

কিন্ত লাশ উদ্ধারের ১৫ মাস পরও খুনিদের চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ বলছে, লাশের পরিচয় উদ্ধার করতে না পারার কারণে খুনের কারণ এবং খুনিদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পরেছে।থানা সূত্রে জানাযায়, অজ্ঞাত ওই যুবতীর বয়স আনুমানিক ২৫ বছর।

পড়নে ছিল সাদা বাদামী স্যালোয়ার, লাল ছাপা খয়েরী কামিজ এবং লাল ছাপা খয়েরী ওড়না। আনুমানিক ৫ ফুট ২ইঞ্চি উচ্চতার এই যুবতীর গায়ের রঙ্গ শ্যামলা ছিল। গত বছর ২০ সেপ্টেম্বর সকালে আসলামপুর ইউনিয়নের মুখারবান্দা থেকে ভুইয়ারহাট পাকা সড়কের বসুমৃধার বাড়ি সংলগ্ন কালভার্টের নিচ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এই যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

লাশ উদ্ধারের পর উপ-পরিদর্শক নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে পরিকল্পিত ভাবে খুন ও লাশ গুমের অপরাধে অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে দঃবিঃ ৩০২/২০১/৩৫ ধারায় চরফ্যাশন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ময়না তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুবতীকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর গত ১৫ মাসে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তিনবার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্ত তদন্তে কোন কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। বর্তমানে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক গোলাম মাওলা বলেছেন, লাশের পরিচয় সনাক্ত করতে না পারায় তদন্তে কোন কিনারা করা যায়নি।

লাশের পরিচয় সনাক্ত করার জন্য দেশের সকল থানায় মৃত্যুর ছবিসহ ম্যাসেজ দেয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে সংবাদপত্রে । কিন্ত এখনো কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। পরিচয় সনাক্ত করতে না পারায় হত্যার কারণ ও খুনিদের পরিচয় উদ্ধার কঠিন হয়ে পরেছে। তারপরও গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে।