মেইন ম্যেনু

ভোলার চরফ্যাশনে কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগে মামলা দায়ের

ভোলার চরফ্যাশন সরকারি কলেজের প্রভাষক সোলাইমানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি সহ বাজার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজীর অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় চরফ্যাশন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের একাউনটিং প্রভাষক সোলাইমান র্দীঘ দিন ধরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন আসছেন। পদের পাশাপাশি তার আধিপত্য বিস্তারের জন্য তৈয়ারি করেছে কয়েকটি বাহিনী।

এসকল বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে তিনি চরফ্যাশন পৌর শহরের হাসপাতাল রোড, প্রাণি সম্পদ অফিস ও পূবালী ব্যাংক এলাকা সহ কয়েকটি এলাকায় অনায়াসে চাঁদাবাজী, জুয়া ও মাদকের আসর নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে চরফ্যাশন সদর রোডের ওয়াপদার সামনে ডিজেল ও প্রেট্টোল ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম ওরপে মিন্টু খাঁনের কাছে সেখানে ব্যবসা করতে হলে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন সোলাইমান বাহিনী।

১১ জুলাই বিকেলে মিন্টু খাঁন চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সোলাইমানের নেতৃত্বে রাজ্জাক, রুমি মান্নান সহ ১০/১২ সন্ত্রাসী লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তার উপর এলোপাথাড়িভাবে হামলা করেন। এসময় দোকানে থাকা ৮৫ হাজার টাকা সহ একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায় ওই সকল সন্ত্রাসীরা। এঘটনায় মিন্টুখাঁন বাদী হয়ে চরফ্যাশন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৬৩/ ১৪-৭-১৫ইং। নাম প্রকাশ না করার স্বত্তে কয়েকজন আ’লীগ নেতা জানান, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের একাউনটিং প্রভাষক সোলাইমান র্দীঘ দিন ধরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন আসছেন।

পদের পাশাপাশি তার আধিপত্য বিস্তারের জন্য তিনি তৈয়ারি করেছে বিশাল বাহিনী। এসকল বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে তিনি চরফ্যাশন পৌর শহরের হাসপাতাল রোড, প্রাণি সম্পদ অফিস ও পূবালী ব্যাংক এলাকা সহ উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় অনায়াসে চাঁদাবাজী, জুয়া ও মাদকের আসর নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। সোলাইমান বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে চরফ্যাশনবাসী।

এব্যাপরে অভিযুক্ত সোলাইমান জানান, আমি দল থেকে অনেক আগেই পদত্যাগ করেছি। কবে, কিভাবে করেছে? এমন প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। মাদক ও জুয়ার আসরের সাথে সেই জরীত নয় বলে দাবি করেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী মামলা সম্পর্কে সেই কিছু জানেনা বলে তিনি জানান।

এব্যাপরে অভিযুক্ত সোলাইমান জানান, আমি দল থেকে অনেক আগেই পদত্যাগ করেছি। কবে, কিভাবে করেছে? এমন প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর পাওয়া যায়নি। মাদক ও জুয়ার আসরের সাথে সেই জরীত নয় বলে দাবি করেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী মামলা সম্পর্কে সেই কিছু জানেনা বলে তিনি জানান।

এব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ইনঞ্জিনিয়ার মান্নান তার উপজেলার বর্তমান কমিটির সোলাইমান সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার কথা স্বীকার করেন। তিনি সরকারি কলেজের প্রভাষক হয়ে দলীয় কোন পদে বহাল থাকতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সোলাইমানের সরকারি কলেজে চাকরি হওয়ার পর উপ-মন্ত্রী মহোদয় সহ আমরা তাকে পদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য বলেছি।

তার পরেও তিনি ওই পদে বহাল থাকলে আমাদের বলার কিছু নেই। চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কয়ছর আহমেদ দুলাল জানান, আমি জানি, প্রভাষক সোলাইমান সরকারি গেজেট ভুক্ত হওয়ার আগেই তিনি দল থেকে অব্যহতী নিয়েছেন। আমার কলেজের বাহিরে কেউ যদি সরাসরি কোন রাজনীতি ও কোন অপরাধ কার্মকান্ডের সাথে জরীত থাকে তাহলে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে তা অব্যশয় মোকাবেলা করবো।

এলাকাবাসীর একটাই প্রশ্ন? তিনি কি ভাবে সরকারি চাকরি করে সরাসরি দলের পদ নিয়ে একের পর এক অপরাধ কর্মকান্ড ও অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন তার শেষ কোথায় এমনটাই জানতে চাই ।