মেইন ম্যেনু

ভোলার চরফ্যাশনে জেলেট্রলার ডুবি, ১৫ জেলে নিখোঁজ

ভোলার চরফ্যাশনের সাগরে পৃথক এলাকায় তিনটি জেলেট্রলার ডুবির ঘটনায় ১৫ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার হয়েছে ১৭ জেলে। এদের বাড়ি ঢালচর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ও চরফ্যাশন উপজেলায়।

রোববার ভোরে ঢালচর থেকে ২শ’ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে মহিপুর সংলগ্ন সাগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।দুর্ঘটনা কবিলত ট্রলারের মধ্যে একটি চরফ্যাশন উপজেলার আবুল কালাম মাঝির, একটি আবদুর রহিম মাঝির এবং অপরটি নুরাবাদের ফারুক মাঝির।

ট্রলার মালিক রহিম মাঝি জানান, ঢালচর থেকে শনিবার বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে যান ১৪ জেলে। এ সময় বৈরী আবহাওয়ার কারণে উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে রোববার ভোরে ট্রলারটি ডুবে যায়। অন্য ট্রলারের সহযোগীতায় ট্রলারের মাঝি আবদুল আলী ও শাজাহান নামের দুই জেলে উদ্ধার হলেও নিখোঁজ রয়েছেন ১২ জেলে।

রাত ১০টা পর্যন্ত তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে মোজাম্মেল, আলমগীর, দেলোয়ার, শাহাবুদ্দিন, ওহাব আলী, মরণ মিয়া, ইমাম, আবুল কালাম, রাকিব, মান্নানের নাম জানা গেছে। এরা সবাই আব্দুর রহিম মাঝির ট্রলারের জেলে। অপরদিকে ঢালচর মৎস্য আড়ৎদার সমিতির নেতা মো. শাহেআলম ফরাজী জানান, ঢালচরে দুপুরের দিকে সাগর মোহনায় ঝড়ো বাতাসে আবুল কালাম মাঝির একটি ট্রলার ডুবে যায়।

এ সময় ট্রলারের ছয় জেলে অন্য ট্রলারের সহযোগিতায় উদ্ধার হন।দক্ষিণ আইচা থানার উপ-পরিদর্শক এসআই আব্দুর রব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মহিপুর থানার পুলিশ নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারের চেষ্টা করছে।এদিকে চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক জানান, দুপুরে নুরাবাদের ফারুক মাঝির একটি ট্রলার ডুবে যায়। ওই ট্রলারে ১২ জন জেলে ছিল।

ঝড়ো বাতাসে ট্রলারটি ডুবে গেলে অন্য ট্রলারের সহযোগিতায় নয়জনকে উদ্ধার করা যায়। এ সময় নিখোঁজ হয় তিন জেলে। তবে তাদের নাম জানা যায়নি।