মেইন ম্যেনু

ভোলার চরফ্যাশনে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদ ও শোক

ভোলার চরফ্যাশনে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আবদুর রাজ্জাক (৩৫) এর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। রাত ১০ টায় নিহত আব্দুর রাজ্জাককে চরফ্যাশন নিজ বাড়িতে নিয়ে আসলে সেখানকার আকাশ বাতাশ ভারি হয়ে উঠে।

চাপা ক্ষোভে ভেঙ্গে পরেন হাজার হাজার মানুষ। রাত সাড়ে ১০ টায় এলাকার পশ্চিম জিন্নগর নুরিয়া আলিম মাদ্রাসার মাঠে দ্বিতীয় নামাযের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এসময় নিহতের বাবা হোসেন মিয়া ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাকদ মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া বক্তব্য রাখেন।

এসময় উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন ছাত্রদল সহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাদ আসর জেলা বিএনপির উদ্দ্যোগে জেলা বিএনপির অফিসের সামনে নিহতের প্রথম নামাযের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর ও সাধারণ সম্পাকদ ফারুখ মিয়া সহ জেলা ছাত্রদল সভাপতি ও সম্পাদক সহ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ সহ জেলা বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় নিহত আবদুর রাজ্জাককে সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা হত্যা করায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ প্রকাশ করে নেতারা ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

ভোলা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম জানিয়েছেন, সরকার দলীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলায় নিহত চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আ. রাজ্জাকের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক। এবং চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম মিন্টিজ ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর হোসেনসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ খুনিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান।

উল্লেখ্য, চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আবদুর রাজ্জাক ঈদের দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুটি মোটরসাইকেল যোগে দলের নেতা-কর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করতে উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের দিকে রওনা হয়। পথের মধ্যে একদল সন্ত্রাসী তাদের পথরোধ করে অস্ত্রের মূখে জিম্মি করে রাজ্জাককে নিয়ে যায় বেড়ির পার এলাকায়।

সেখানে গাছের সাথে বেধে তার হাতের আঙ্গুল ও দুই পা সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে নিয়ে যায় ।

অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে নিহতের ভাই আবদুর রহমানের জানান, রাজনৈতিক কারনেই সরকার দলের সন্ত্রাসীরা এ হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটিয়েছেন।