মেইন ম্যেনু

নেই প্রশাসনের নজরদারী

ভোলার চরফ্যাশনে হোটেলগুলোতে ভেজাল খাবারে সয়লাব

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় যেখানে সেখানে গড়ে উঠেছে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশের হোটেল। ওই সকল হোটেলগুলোতে বাসি,পচাঁ,ভেজাল যুক্ত খাবার খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোন নজরদারী নেই।জানা গেছে, পৌর শহর সহ এ উপজেলায় প্রায় ২শতাধিক হোটেল রয়েছে।

হোটেগুলোর সামনের অবস্থা একটু সাজসজ্জায় থাকলেও যে স্থানে দাঁড়িয়ে খাবার তৈরি করা হচ্ছে ওই সকল স্থানের পরিবেশ খুবই অস্বাস্থ্যকর।

এসকল হোটেলে ঢুকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখলে খাবার খেতে কারই ইচ্ছে করবে না। কিন্তু দিনের পর দিন অনেকটা বাঁধ্য হয়েই এসকল অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে অনেকেই। কিন্তু এতে মাথা ব্যথা নেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের।

পৌর শহরের হোটেল গুলো সহ উপজেলার গ্রামগঞ্জের হাট বাজারে গড়ে উঠা হোটেল গুলোর ভিতরের অবস্থা খুবই করুন। হোটেলের স্টাফদের নোংড়া পরিবেশে তৈরি করা খাবার আমরা সবাই খাচ্ছি। কি খাচ্ছি এগুলো একটু চিন্তা করে দেখলে বিবেক নাড়া দেবে।

এসকল অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে মানুষ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। চরফ্যাশন পৌর শহরে বিভিন্ন হোটেলে ঢুকতেই দুর্গন্ধে নাখ চেপে রাখতে হয়। এ অবস্থায় হোটেল বয়রা এসে রুম স্প্রে করে। এ দুর্গন্ধের উৎসহ খুঁজতে হোটেলের রান্না ঘরে ঢুকতে দেখা যায় কি নাজেহাল অবস্থা। রান্না ঘরের দরজার পাশেই ময়লা ফেলার স্থান। ওই অবস্থা দেখতে গিয়ে দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছিলো।

রান্না ঘরে মিষ্টি পাতিলে ঢাকনা নেই, মশা-মাছি,ময়লা পড়ে আছে মিষ্টির পাতিলে।একই অবস্থা দেখা যায় চরফ্যাশন সদরসহ গ্রাম-গঞ্জের হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টেগুলোতে। নোংড়া পরিবেশে ওই স্থানে দাঁড়িয়েই চা নাস্তা তৈরি করছে বাবুর্চিরা।

এ দৃশ্য কোন মানুষ চোখে দেখলে হোটেলের খাবার খাওয়া একেবারেই ছেড়ে দিতো। রান্না ঘরের দরজা খোলা লোকজন আসে আর ওই স্থানে কফ,থুথু ময়লা ফেলে। ওই সকল দুর্গন্ধ হোটেলের খাবারের সাথে মিশে গিয়ে খাবার দূষিত করছে।

চরফ্যাশণ সদর রোডে এক হোটেল মালিক জানালেন তার হোটেলের সামনে বিভিন্ন যানবাহন দাঁড়ায় ওই যানবাহনের যাত্রীরা এ স্থানে ময়লা,আবজনা ফালায়। তাতেই একটু দুর্গন্ধ হচ্ছে। শুধু এ হোটেলটির এমন দৃশ্য নয় এরকম অসংখ্য হোটেল রয়েছে।এছারা চরফ্যাশনে এর পূর্বের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নেতৃত্বে বেশ কয়েকবার এ সকল হোটেল রেস্টুরেন্টে ভেজাল বিরোধী অভিযানে অনেকটা পরিবর্তন এসেছিল।

কিন্তু দীর্ঘ দিন ওই সকল হোটেলগুলোতে কোন নজরদারী বা অভিযান না থাকার কারনে এ রকম চিত্র এখন হরহামেশাই দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সাধারন পথচারীরা এসকল খাবার অনেকটা পেটের দায়ে বাঁধ্য হয়েই খাচ্ছেন।

আর এসকল খাবার খেয়েই অনেকে কঠিন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। সচেতন মহলের দাবী এসব বাসি,পচাঁ, ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের খাবার হোটেলে প্রশাসনের নজর দারী বাড়ানো দরকার। এব্যাপারে উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টরের দায়িত্ত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য পরিদশক মোঃ আলমগীর হোসেন সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, শীগ্রই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়ে এসকল হোটেলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।