মেইন ম্যেনু

ভোলার চরফ্যাশন ও লালমোহন গ্রামবাসীর তৃতীয় বার সংঘর্ষ, আহত-১৫

ভোলার চরফ্যাশনের আসলামপুর ও লালমোহনের লডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে ফের সোমবার সকাল ১০টায় খোদেজাবাগ ও অনদা প্রসাদ দু’গ্রাম বাসীর মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন, হাদিস, আলমগীর, তহুরা, সাফিয়া বেগম, জহুরা বেগম, নারগিছ, আলাউদ্দিন, হারুন, জসিমউদ্দিন, ইয়াসমিন, কামাল, নুরইসলাম, শরীফ, নুরউদ্দিন ও জাহের।আসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান একেএম সিরাজুল ইসলাম জানান, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ফাতেমাবাদ ও অনদা প্রসাদ গ্রামের বাসিন্দারা আসলামপুর ইউনিয়নের খোদেজাবাগ গ্রামের দু’কি.মি. এলাকা দাবী করে দীর্ঘদিন যাবৎ দখলের চেষ্টা করে এবং সংঘর্ষে জড়ায়।

এ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের জন্য খোদেজাবাগ গ্রামের জহুরা বেগম উপজেলা নির্বার্হী অফিসারসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছেন। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেয়ার জন্য উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় রেজুলেশন হয় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেলা প্রশাসকের কাছে গত ১৬ জুন সিমানা বিরোধ নিরসনের আবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজ পত্র প্রেরণ করেছেন।

এদিকে সোমবার সকালে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের অনদা প্রসাদ গ্রামের বাসিন্দারা খোদেজাবাগ গ্রামের আবাসন প্রকল্পের ঘর দখল করতে গেলে আবাসন প্রকল্পের বাসীন্দারা বাধাঁ দিলে দু’গ্রাম বাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ১৫ জন আহত হয়।

লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বলেন, এ দু’ইউনিয়নের সীমানা বিরোধ দীর্ঘ দিনের। বিরোধ নিরসনে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন ১৯৯৮ সালে সীমানা নির্ধারণ করে দিলেও আসলামপুর ইউনিয়নের খোদেজাবাগ গ্রামের বাসীন্দারা জাগা না ছেড়ে তাদের দখলে রেখেছে। লালমোহন উপজেলা থেকে সরকারী ভাবে আবাসন ও আশ্রয়ন ঘর করে দেয়। ওই আবাসনের কিছু ঘর খোদেজাবাগ গ্রামবাসী দখল করে নেয়।

এ নিয়ে সোমবার সকালে অনদা প্রসাদ গ্রাম বাসির সাথে খোদেজাবাগ গ্রামবাসী সংঘর্ষ হয়। উল্লেখ্য, গত ১৭ মে আসলাম ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক খোদেজা বাগ গ্রামের আবাসনে ট্রয়লেট নির্মাণ ও পুকুরের ঘাটলা নির্মাণ কাজ করার সময় লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের অনদা প্রসাদ গ্রামের বাসিন্দরা ওই জাগা তাদের দাবী করে বাধাঁ প্রদান করলে দু’গ্রামবাসীর সংর্ঘষে অন্তত ২০ জন আহত হয় এবং ২০ মে অনদা প্রসাদ গ্রামের লোকজন খোদেজাবাগ আবাসনের ২০টি ঘর দখল নেয়।

ফের সোমবার আবাসনের ঘর দখল করতে গেলে তৃতীয় বারের মতো সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে দু’গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সিমানা বিরোধ নিরসন না হলে পরবর্তীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও প্রাণহানীর আশংকা করছে এলাকাবাসী।