মেইন ম্যেনু

ভোলায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব

ভোলায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। শুক্রবার গভীর রাতে পুজা মন্ডপ গুলোতে হাজারো পুনার্থী অশ্রুসিক্ত শেষ বিদায় জানায় ।

সন্ধ্যার পর থেকেই সনাতন ধর্মালম্বী নারীরা দুর্গার চরনে পুস্প ও কপলে সিদুর ছুয়ে দেবীকে বরন করে শেষ বিদায় জানায়। পরে নারীরা একে অপরের মঙ্গল কামনায় মধ্যে সিদুর তুলে দেয়া হয়।

জেলার ৭টি উপজেলার ৯৪টি পুজা মন্ডবে বিকেল থেকে শুরু হয় দেবী দুর্গার বিসর্জন প্রক্রিয়া। এরআগে নেচে গেয়ে আনন্দ উৎসব করে দেবীর আরধনা করা হয়। পরে তিথী অনুযায়ী প্রতিমা বিসর্জন করা হয়।

দুর্গোসবকে ঘিরে বরাবরের মত এ বছরও বর্নঢ্য আয়োজন ছিলো জেলার ঐতিয্যবাহি কুঞ্জেরহাট সাহা বাড়ি সার্বজনিন পুজা মন্ডবে।

সেখানে আরতি, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা অনুষ্ঠানে ছিলো ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপছে পড়া ভীড়। এ মন্ডবে শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়।

এরআগে শেষ বিদায়ের বেলাতে নারী ও পুরুষ উৎসবমুখর পরিবেশে মেতে উঠেন। সনাতন ধর্মালম্বী নারীরা দেবীকে বিদায় জানান। এ প্রক্রিয়া শেষে একে অপরের মঙ্গল কামনায় মধ্যে সিদুর তুলে দেয়া হয়।

অনেকটা ব্যাতিক্রমী অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহি সাহাবাড়ি নিজস্ব পুকুরে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কুঞ্জেরহাট বাজার সাহা বাড়ি সার্বজনিন পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র দে, সাধারন সম্পাদক প্রবল চন্দ্র দে, নারায়ন সাহা, স্বপন সাহা, বাসুদেব দে, শ্যাম সাহা, লিটন দে, রুপন সাহা, পুরোহিত জীবন চ্যাটার্জিসহ মন্দির কমিটির সদস্য ও পুজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

একইভাবে জেলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার পুজামন্ডপগুলোতে প্রতিমা

বিসর্জনের মধ্যদিয়ে সনাতন ধর্মলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটলো। প্রতিমা বিসর্জন শেষে শান্তি জল অর্পন ও প্রার্থনা করা হয়।

প্রাসনের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও জনসাধারনের সাবির্ক সহযোগীতার ফলে এ বছর কোথায় কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে পুজা উদযাপন পরিষদের নেতবৃন্দ জানিয়েছেন।