মেইন ম্যেনু

ভোলায় লোকসানের আশঙ্কায় মোকামি চামড়া ব্যবসায়ীরা

কামরুজ্জামান শাহীন, ভোলা: কোরবানীর ঈদ শেষে ভোলার বিভিন্ন স্থান থেকে চামড়া সংগ্রহ করছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। আর এগুলো তারা সংগ্রহ করে বিক্রি করছে স্থানীয় মোকামি ব্যবসায়ীদের কাছে।

মোকামিদের দিন-রাত চলছে এ চামড়ায় লবন দেয়ার কাজ। ট্যানারি মালিক সমিতির নির্ধারিত দামে চড়া মূল্যে বেচা-কেনা হচ্ছে চামড়া। খুচরা ব্যবসায়ীরা ন্যায্য দাম পাওয়ায় খুশি তারা। কিন্তু মোকামি ব্যবসায়ীরা রয়েছেন শংকিত অবস্থায়। তারা বলছেন যদি ট্যানারী শিল্প মালিকরা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশী দামে চামড়া না কিনে তাহলে আমাদের লোকসান গুনতে হতে পারে।

ভোলায় বিভিন্ন এলাকার ও উপজেলা গুলোর মোকামি ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে এমনটি জানা যায়। ভোলা সদরের কালিনাথ রায়ের বাজারে দেখা গেছে কয়েটি চামড়া ব্যবসায়ীদের দোকানে ভীড়। এখানে ভোলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা এসে জড়ো হচ্ছেন তাদের সংগ্রহিত চামড়া বিক্রি করার জন্য। ক্রেতা-বিক্রেতারা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বসে চামড়ার দর-দাম কসছেন। ঈদের তিত্বীয় দিনে বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মত।

সদর উপজেলার পরানগঞ্জ থেকে আসা মৌসুমি ব্যবসায়ী মোঃ জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশী দামে বিভিন্ন এলাকা থেকে চামড়া ক্রয় করেছি। কিন্তু বাজারে এসে চামড়া বিক্রি করতে গেলে দোকানদাররা সেই দামও বলছেন না।অন্যদিকে ব্যাংকের হাটের মৌসুমি ব্যবসায়ী জসিম বলছেন বাজারের চামড়ার দাম ভালো। নির্ধারিত দামে গ্রাম-গঞ্জের বিভিন্ন স্থান থেকে চামড়া ক্রয় করে শহরে বেশী দামে বিক্রি করতে পেরেছেন।

অপর মৌসুমি ব্যবসায়ী ছগির বলেন, আমি বিভিন্ন স্থান থেকে ২২টি গরুর চামড়া ক্রয় করে এনে বাজারে বিক্রি করেছি। প্রত্যেকটিতে ১শ’ ৫০ থেকে ২শ’ টাকা লাভ হয়েছে।তবে চামড়া নিয়ে আশঙ্কার কথা বলছেন ক্রেতা ব্যবসায়ীরা। কালিনাথ রায়ের বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক নুরু বলেন, ট্যানারী ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে চামড়া কিনতে বাধ্য হচ্ছি। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বেশী টাকা দিয়ে কিনেছেন। তারা লাভ না রেখে বিক্রি করতে রাজি হচ্ছে না। তাই আমরা বাধ্য হয়ে বেশী দামেই চামড়া ক্রয় করছি।

মোকামি ব্যবসায়ী মোঃ ইউসুফ জানান, নির্ধারিত দামের সঙ্গে বাজারের দাম মিলছে না। ট্যানারী মালিকরা যদি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে চামড়া না কিনে তাহলে আমরা বিপাকে পড়ে যাবে। তাদের কেনার উপর নিভর করছে লাভ-লোকসানচরফ্যাসনের মোকামি ব্যবসায়ী মোঃ নুরনবী বলেন, নির্ধারিত দামের সঙ্গে বাজারের দাম মিলছে না। ট্যানারী মালিকরা যদি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে চামড়া না কিনে তাহলে আমরা বিপাকে পড়ে যাবে। তাদের কেনার উপর নিভর করছে লাভ-লোকসান।