মেইন ম্যেনু

ভ্রমণে বাড়ে যৌন চাহিদা এবং…

অজানাকে জানা, নতুন কিছু দেখা এবং নতুন কিছু আবিষ্কারের অদম্য ইচ্ছা মানুষকে ভ্রমণপিপাসু করে তোলে। শুধু নতুন জায়গা নয়, বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, অপরিচিত মানুষ এবং অজানা অনেক কিছু সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায় ভ্রমণ থেকে। ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন না এমন ব্যক্তির সংখ্যা নেহাত হাতেগোনা। ভ্রমণ অনেকের কাছে আসক্তির মতো। তারা সবসময় নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে চান। শুধু তাই নয়, ভ্রমণের বেশকিছু শারীরিক এবং মানসিক উপকারিতা রয়েছে। ব্রিটেনের সাম্প্রতিক এক জরিপে বলা হয়েছে, শরীরের ওজন কমানো, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, তারুণ্য, যৌনসন্তুষ্টি বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়তা করে ভ্রমণ।

এক্সপেডিয়া নামে একটি বৃহৎ ভ্রমণ প্রতিষ্ঠান এই জরিপটি পরিচালনা করে। জরিপে অংশ নেয় ১০ লাখের বেশি ভ্রমণকারী। জরিপে অংশগ্রহণকারীরা স্বীকার করেছেন, ভ্রমণে তাদের যৌন সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভ্রমণ মানুষের ‍শারীরিক আস্থা এবং মনোবল বৃদ্ধি করে। যা মানুষকে আরও ঘনিষ্ঠ হতে সাহায্য করে।

এক্সপেডিয়ার কর্মকর্তা লিন্ডা পাপাডোপোলস বলেন, ভ্রমণ স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটি আমাদের চাপ এবং উদ্বেগ কমায়, মেজাজ ভালো রাখে। নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করে, উদ্দীপনা জোগায়, কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং জীবন সম্পর্কে আমাদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। ভ্রমণ আমাদের মস্তিষ্কের সেরোটোনিন হরমোন নির্গত করে। যা একজন ব্যক্তির মনোবল, প্রশান্তি এবং মনোযোগ বৃদ্ধি করে।

জরিপে আরও বলা হয়, ভ্রমণ ওজন কমাতে সহায়তা করে। এটি স্বাস্থ্যগত আচরণে দারুণ পরিবর্তন করে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে স্বাস্থ্যকর নতুন ডায়েট অনুসরণে সহায়তা করে।

জরিপে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেছেন, ভ্রমণ তাদের সৃজনশীলতার পরিমাণ বাড়িয়েছে। নতুন অভিজ্ঞতা তাদের উৎসাহিত করেছে এবং সেরোটোনিন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি সৃজনশীল চ্যালেঞ্জ নিতে অধিক ইতিবাচক চিন্তা সৃষ্টি করে।