মেইন ম্যেনু

‘ভয়াবহ’ ফেসবুকের কথা

টেক ইন্ডাস্ট্রি জগতে কর্মক্ষেত্র হিসেবে অনেকেই ফেসবুককে সেরাদের একটি বলে বিবেচনা করেন। বেতন কাঠামোর দিক থেকেও ফেসবুক তুলনামূলক অনেক এগিয়ে। আমেরিকার নাগরিকদের গড় আয়ের চেয়ে ২৫ হাজার ডলার বেশি আয় করেন ফেসবুকের একজন ইন্টার্ন। অনেকেই এই সোশার মিডিয়াকে এক নম্বর কর্মক্ষেত্র বলে মনে করেন।

তবে অনেকের কাছে ফেসবুক ভয়াবহ কর্মক্ষেত্রও বটে। এখানে জেনে নিন ফেসবুক কর্মীদের কিছু ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা। এগুলো সবই ফেসবুকের বর্তমান বা সাবেক কর্মীরাই তুলে ধরেছেন।

১. ‘আমি টানা ৬ সপ্তাহ ধরে ২৪ ঘণ্টার কল ডিউটিতে ছিলাম। এ সময় শহরের বাইরেও যেতে পারিনি’।

২. ‘পাশাপাশি দুটো কাজের টেবিলের মাঝে কোনো দেয়াল নেই। এতে নাকি পেশাদার বিষয় ব্যক্তিগত হয়ে যায়’।

৩. ‘ম্যানেজমেন্ট স্টাফদের মাঝে দলবদ্ধ হয়ে কাজ করার তেমন কোনো অভিজ্ঞতাই নেই’।

৪. ‘ফেসবুকে প্রকৃত অর্থে অবকাঠামোগত সুনির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন নেই’।

৫. ‘আমি ফেসবুকের বিষয়ে ফেসবুকের কাছে কোনো অভিযোগ করতে পারি না। কারণ আমি এখানকার কর্মী’।

৬. ‘বিশাল একটি প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও ফেসবুক এমন আচরণ করে যেন তারা নতুন ব্যবসা শুরু করেছে’।

৭. ‘আমাদের কাজের বিষয়ে দিকনির্দেশনা নেই। আমরা বুঝিই সংশ্লিষ্ট কাজকে কিভাবে এগিয়ে নিতে হবে’।

৮. ‘এখানে কাজ করা অবস্থায় নিজের জন্যে কোনো প্রতিষ্ঠান খুলতে পারবেন না’।

৯. ‘ফেসবুকে কাজ করা আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতার একটি। আমার দুই বস ছিলেন পৃথিবীর সবচেয়ে বাজে বস’।

১০. ‘এখানে মানুষ এমনভাবে কথা বলে যেন সবাই পরিশুদ্ধ এবং পাপমুক্ত মানুষ’।

১১. ‘আমাকে এমন কাজ দেওয়া হয় যা কোনোভাবেই আমার সঙ্গে যায় না’।

১২. ‘নির্দেশনা নেই, সবকিছু ধারণা করে নিতে হবে। আর সেখানেই আমি ব্যর্থ বলে বিবেচিত হই’।

১৩. ‘জাকারবার্গ আর শেরিলের আচরণ এমন যেন আপনার চেয়ে তারা অনেক বেশি উচ্চশ্রেণির মানুষ’।

১৪. ‘এটা এমন এক পাবলিক প্রতিষ্ঠান যেখানে কর্মী হিসেবে নিজেকে নগন্য মনে হবে’।

১৫. ‘গুগলকে কঠিন চোখে দেখে ফেসবুক’।

১৬. ‘একটু স্বস্তিতে খাবার বা পানি খাওয়ার পরিবেশটাও মেলে না’।

১৭. ‘নতুন ইন্টার্নদের দ্বারাও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হতে দেখেছি’।

১৮. ‘অভ্যন্তরীন রাজনীতি রীতিমতো নাটকীয়তায় ভরপুর’।

১৯. ‘স্মার্টফোনে ফেসবুক বিষয়ে তাদের বড় কোনো পরিকল্পনা নেই’।

২০. ‘ফেসবুকে কাজ করার অর্থ হলো বড় একটা সময় ফেসবুকে ব্রাউজ করে সময় নষ্ট করা’।

২১. ‘ছুটিতে থাকলেও কাজ থেকে দূরে থাকতে পারবেন না আপনি’।

২২. ‘অফিসের ভেতর থেকেই অসংখ্য ইমেইল আসবে। দিনে ১৬০০টি বা তারও বেশি’।
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার