মেইন ম্যেনু

মডেল স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড পরিশোধের পর সৌদি ধনকুবেরের মৃত্যু

মডেল স্ত্রীকে তালাক বাবাদ ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড দেওয়ার পর মৃত্যু হলো এক সৌদি ধনকুবের। ক্রিস্টিনা এস্ত্রাদা (৫৪) নামের ওই মডেল ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত এবং তার স্বামী সৌদি ধনকুবের শেখ ওয়ালিদ জুফ্ফালির (৬১)।

হঠাৎ মৃত্যুতে ওই ধনকুবের তার মডেল স্ত্রীকে তালাক বাবদ যে অর্থ দান করেছেন তা পেতে দেরি হবে। ওই মডেল একজন পিরেলি ক্যালেন্ডার গার্ল।

চলতি মাসের শুরুতে ব্রিটেনের উচ্চ আদালতের মধ্যস্থতায় ও মডেলকে তালাক বাবদ এই বিশাল পরিমাণ অর্থ দান করেন শেখ ওয়ালিদ। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ আদালতে তালাক বাবদ এত বিশাল পরিমাণ অর্থ দানের রায় এটাই প্রথম। এর আগে ব্রিটিশ আদালতে তালাক বাবদ সর্বোচ্চ ২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের আপসরফা করা হয়েছিল।

সৌদি বংশোদ্ভূত ওই ব্যবসায়ী ধনকুবের মারণরোগ ক্যান্সারে ভুগছিলেন। গত বুধবার সুইজারল্যান্ডের জুরিখে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আদালতের রায়ের আগেই যদি ওই সৌদি ধনকুবেরের মৃত্যু হতো তাহলে তার মডেল স্ত্রী হয়তো তালাক বাবদ এই বিশাল পরিমাণ অর্থ পেতেন না। গত তিন বছর ধরেই তিনি ওই অর্থের জন্য লড়াই করছিলেন। তবে ড. জুফ্ফালির মৃত্যুতে ওই অর্থ পেতে একটু দেরি হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী মিস এস্ত্রাদা তার সাবেক স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনে ভেঙে পড়েছেন। এস্ত্রাদা এবং ড. জুফ্ফালি সৌদি আরবের ই এ জুফ্ফালি অ্যান্ড ব্রাদার্স এর চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০০০ সালে তাদের প্রথম সাক্ষাতের কিছুদিন পরই তারা বিয়ে করেন।

কিন্তু কয়েকবছর পর ড. জুফ্ফালি ২৫ বছর বয়সী এক লেবানিজ মডেলকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। আর মিস এস্ত্রাদাকে ইসলামী আইন মোতাবেক তালাক দেন। কিন্তু এস্ত্রাদা বিষয়টি জানতেন না।

বিষয়টি জানার পর মিস এস্ত্রাদা ১৯৬ মিলিয়ন পাউন্ড দাবি করেন। তার দাবি ছিল লন্ডনে ৫৫ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি বাড়ি, হেনলিতে একটি ৪ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাউন্ডের কাউন্ট্রি ম্যানশন আর বছরে পোশাক খরচ বাবদ ১ মিলিয়ন পাউন্ড এবং আর ব্যক্তিগত স্টাফদের বেতন বাবদ বছরে ৩ লাখ ৩৫ হাজার পাউন্ড দিতে হবে তাকে।

আদালতে মিস এস্ত্রাদা বলেন, আমি শীর্ষ পর্যায়ের একজন আন্তর্জাতিক মডেল। আর আমি এমনই ব্যয়বহুল জীবনযাপন করে এসেছি। আমি এ ধরনের জীবনযাপনেই অভ্যস্ত। সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ