মেইন ম্যেনু

মধ্যবর্তী নয়, ২০১৯ সালেই নির্বাচন : নাসিম

দেশে মধ্যবর্তী জাতীয় নির্বাচনের কোনো সম্ভাবনা নেই উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘আপনি (খালেদা জিয়া) রাজনীতির মাঠে থাকুন। পরবর্তী নির্বাচন ২০১৯ সালেই অনুষ্ঠিত হবে।’

নাসিম বলেন, ‘আমরা চাই, আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করুক। বিএনপি নেত্রী পদে পদে ভুল করেছেন। আর আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা আর ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চাই না। আমরা চাই নির্বাচনের মাঠে খেলে আপনাদের হোয়াইটওয়াশ করতে।’

দশম জাতীয় সংসদের ষষ্ঠ (বাজেট) অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ সব কথা বলেন।

রাজনীতিতে সমঝোতার বিষয় অবতারণ করে বলেন, ‘সমঝোতা হবে, তবে কোনো খুনী, ঘাতকের সঙ্গে নয়। তাদের জন্য গণতন্ত্র হবে না, তাদের সঙ্গে কোনো আপোসও হবে না।’

নাসিম বলেন, ‘খালেদা জিয়া যেভাবে কথা বলছেন, তা গণতন্ত্রের ভাষা নয়। উনি বর্তমান সরকারকে জালেম বলেন। কিন্তু খালেদা জিয়ার মতো বড় জালেম এ দেশে আর কেউ নেই। আপনার স্বামী জেনারেল জিয়া, এরশাদ সরকার ও আপনি খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন। ২১ বছর আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে আমাদের সেই রক্তক্ষরণ বন্ধ করেছেন, খুনীদের বিচার করেছেন, রায়ও কার্যকর করেছেন।’

স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে বলেন, ‘ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে, কিন্তু আদর্শের কখনো মৃত্যু হয় না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। দেশকে আমরা জঙ্গি-সন্ত্রাসমুক্ত করেছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ গোটা বিশ্ব নেতারাও স্বীকার করছেন, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ কীভাবে দমন করতে হয়, তা শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্থাপন না করে শত্রুতার সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের এ দেশে আশ্রয়-প্রশ্রয় এমনকি প্রশিক্ষণ পর্যন্ত দিয়েছিলেন। সে জন্য কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারেননি খালেদা জিয়া। কিন্তু শেখ হাসিনা বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে একে একে সব সমস্যার সমাধান করছেন। শেখ হাসিনা সেই জেনারেল, যিনি বিনা রক্তপাতে সীমান্ত সমস্যার সমাধান করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেন উনার দলের নাকি ৪৯ হাজার নেতাকর্মী কারাগারে আছেন! এটা গায়েবি মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নয়। সারাদেশের কারাগারে ধারণক্ষমতা ৩৩ হাজার। তবে উনার ৪৯ হাজার নেতাকর্মী কোথায় আছেন? কোন দেশে আছেন? তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে দেশের মানুষকে আপনি পুড়িয়ে হত্যা করেছেন, জ্বালাও-পোড়াও, ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছেন। যারা এ সব অপকর্ম করেছে তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। কারাগারে থাকবেই। এটাই স্বাভাবিক।’