মেইন ম্যেনু

মনের দোকানদার ‘সিগমুন্ড ফ্রয়েড’

মনোবিজ্ঞান এবং ফ্রয়েড একে অপরের পরিপূরক । তাঁর গবেষণা, তত্ত্ব এবং লেখালেখি মনোবিজ্ঞানে অনেক নতুন অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে। মনের জগতে অবাদ বিচরণ এই “মনোবীক্ষণের জনক” এর। আজ তাঁর জন্ম দিন। ১৮৫৬ সালের আজকের দিনে ‘৬ মে’ অস্ট্রিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন সিগমুন্ড ফ্রয়েড। তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ সালে লন্ডনের হ্যামস্টেডে ৮৩ বছর বয়সে।

ফ্রয়েড অস্ট্রিয় মানসিক রোগ চিকিৎসক এবং মনস্তাত্ত্বিক। তিনি “মনোসমীক্ষণ” নামক মনোচিকিৎসা পদ্ধতির উদ্ভাবক। মানব সত্বার ‘অবচেতন’, ‘ফ্রয়েডিয় স্খলন’, ‘আত্মরক্ষণ প্রক্রিয়া’ এবং ‘স্বপ্নের প্রতিকী ব্যাখ্যা’ সহ অনেক মনো ধারণায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে তাঁর অবস্থান।

১৮৮৩ সালে বিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষাজীবনের গণ্ডি পার করেন তিনি। তাঁর কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁর প্রাপ্তির ঝুলিতে রয়েছে যুক্তরাষ্টের রয়েল সোসাইটির সদস্য পদ। ১৯৯৩ সালে জার্মানি থেকে গথি পুরস্কারে ভূষিত হন মনের এই দোকানদার।

১৯০৩ খৃষ্টাব্দে সিগমুন্ড ফ্রয়েড ‘দ্যা ইন্টার প্রেটেশন অব ড্রীম ও সাইকো প্যাথলজি অব এভরিডে লাইফ’ নামে দুটি বই লিখে পরিচিত হন। এই বই দুটিতে তিনি মানসিক রোগগ্রস্ত মনের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে স্বাভাবিক মনের ঠিকানা খুঁজতে প্রয়াসী হয়েছেন। ১৯০৫ সালে তিনি শিশুদের মনের প্রবৃতি নিয়ে গবেষণা করে ‘লিবিডো তত্ত্বে’র উদ্ভাবন করে মনোবিজ্ঞানকে অনন্য অবস্থানে তোলে নিয়ে আসেন।



« (পূর্বের সংবাদ)