মেইন ম্যেনু

মনোনয়ন আ.লীগের, প্রার্থী বিএনপির

বগুড়া: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বিএনপির প্রার্থীর কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে অভিযোগ করেছেন দলটির এক নেতা।

গোসাইবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাসুদুল হক বাচ্চু এমন অভিযোগ তুলে মনোনয়ন বাতিল দাবিতে বুধবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক বিএনপির কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ধুনটের গোশাইবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে উপজেলা ও জেলা নেতৃবৃন্দ ভেলকিবাজি খেলেছেন। দলের কেউ নন, কোনোদিন দলের সভা সমাবেশেও আসেননি, ওয়ার্ড কমিটির কোনো সদস্যও নন এমন ব্যক্তি শামছুল বারিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এলাকায় তিনি বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত।’

মাসুদুল হক বাচ্চু বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরমে একটি ঘর রয়েছে। তাতে লেখা রয়েছে প্রার্থীর দলীয় পরিচয় কি? সেখানে ওই ব্যক্তি সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। আমরা বছরের পর বছর জেল-জুলুম সহ্য করে দল করবো, আার হঠাৎ করে বিএনপি থেকে ধরে নিয়ে এনে মনোনয়ন দেয়া হবে এটা মানা যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই মনোনয়ন ফরম চাইলে তাদের দেয়া হয়নি। অথচ দল করে না এমন ব্যক্তিকে ডেকে নিয়ে ফরম দেয়া হয়েছে। এটা অর্থের বিনিময় ছাড়া কি হতে পারে। আমরা শুনেছি কাউন্সিলরদের উপজেলা নেতা ফোন করে ওই ব্যক্তিকে ভোট দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন এবং প্রতি ভোটারকে ১০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বাচ্চু বলেন, ‘ধুনটের গোশাইবাড়ি ইউনিয়নের একমাত্র গ্রাম জোড়খালি। সেই গ্রামেই শুধু তালিকাভুক্ত অনেকগুলো রাজাকার রয়েছে। পুরো গ্রাম বিএনপি জামায়াতের দখলে। ওই প্রার্থীর আত্মীয়রাও বিএনপি-জামায়াত করে। তার বাড়িও ওই গ্রামে। মনোনয়নের নিতে গোশাইবাড়ি ইউনিয়ন ওলামা দলের সভাপতি ও বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ফিরোজের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে শামছুল বারি বর্ধিত সভায় আসেন। এ দৃশ্য জেলা-উপজেলা নেতৃবৃন্দ প্রত্যক্ষ করেছেন। তারপরও তাকে কিভাবে মনোনয়ন দেয়া হলো?’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য জিয়া শাহীন এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আশরাফুল কবির বিপুল।