মেইন ম্যেনু

মন্ত্রীর সামনেই লঞ্চের ছাদে বোঝাই যাত্রী

লঞ্চের ছাদে যাত্রীবহন নিষেধ থাকলেও বাড়ি ফেরার তাগিদ থাকায় সেই নিষেধাজ্ঞা মানছেন না যাত্রীরা। এমনকি লঞ্চ কর্তৃপক্ষও আসন না থাকার সুযোগে বাড়তি টাকা নিয়ে লঞ্চে তুলছেন অতিরিক্ত যাত্রী।

শুক্রবার বিকেলে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বিষয়টি দেখেও কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।

উপস্থিত সাংবাদিকরা এ বিষয়ে পরে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, ‘আগের থেকে ছাদে ওঠার প্রবণতা কমেছে। আগামীতেও আরো কমে আসবে।’

ঘাট পরিদর্শনে এলেও মন্ত্রী এদিন উপস্থিত যাত্রী কিংবা সংশ্লিষ্ট কারো সঙ্গে কথা বলেননি। তিনি ঘাটের ভিআইপি গেট থেকে প্রবেশ করে পূর্বপাশের ঘাটের শেষ মাথায় যান। মন্ত্রী কেবল পাঁচ মিনিট পল্টুনে হাঁটেন। সবমিলিয়ে ঘাটে ছিলেন ১০ মিনিট। পরে বিআইডব্লিউ এর অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘যাত্রীরা নিরাপদে-স্বাচ্ছন্দ্যে যেতে পারছেন।’

নৌ দুর্ঘটনারোধে সরকারের ভূমিকা উল্লেখ করে শাজাহান খান বলেন, ‘চার দলীয় জোট সরকারের সময় অনেকগুলো লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটেছিল। আমাদের সময়ে মাত্র দুটো দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতেই বোঝা যায় আমরা দুর্ঘটনা অনেক কমিয়ে এনেছি।’

মন্ত্রী যাওয়ার পরই সেখানে উপস্থিত লঞ্চ যাত্রীদের সঙ্গে কথা হয়। এক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মন্ত্রী তো কোনো যাত্রীর সঙ্গেই কথা বললেন না। উনি কীভাবে বুঝলেন আমরা নিরাপদে স্বাচ্ছন্দ্যে যাচ্ছি।’

অপর এক যাত্রী বলেন, ‘টিকেটে বাড়তি টাকা নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী এ বিষয়ে তো কিছু বলে গেলেন না। ২৩০০ টাকার টিকেট আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ২৫০০ টাকা।’

টিকেটের দাম বাড়তি নেওয়া প্রসঙ্গে এমভি ধুলিয়ার যাত্রী বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘জাস্ট ঈদ উপলক্ষে কিছু টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। খুব বেশি টাকা নিচ্ছি না। টিকেট প্রতি দুইশ করে নেওয়া হচ্ছে।’