মেইন ম্যেনু

মসজিদে নবজাতককে রেখে মা উধাও

শিশুর জন্ম বাবা-মায়ের কাছে সুখকর। তবে কোনো কোনো সময় এই বার্তা আনন্দের নাও হতে পারে।কখনও কখনও শিশুর আগমন মায়ের জন্য হয়ে ওঠে ‘ভার’। অনাকাঙ্খিত নবজাতকের আগমনে ‘ভীত’ মা বাধ্য হন শিশুকে ত্যাগ করতেও। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডের একটি বাসার ছয়তলা থেকে নবজাতককে ফেলে দিয়েছেন তার ‘কুমারী মা’। ঠিক ফেলে না দিলেও এবার মসজিদের কাছে পাওয়া গেছে এক নবজাতককে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার সুবং জয়া নামের ওই মসজিদের কাছ থেকে নবজাতককে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সদ্যজাত এই শিশুটির নাড়ী কাটারও সময় পায়নি তার স্বজনরা। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ২০ মিনিটে ওই শিশুটিকে মসজিদের কাছে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। ধারণা করা হচ্ছে, লোক লজ্জার ভয়েই কেউ নবজাতকটিকে ফেলে রেখে গেছে।

তবে গণমাধ্যমে যে বিষয়টি বেশি স্পর্শকাতর হয়ে প্রকাশ হয়েছে তা হল মানবিকতা। নবজাতকটিকে উদ্ধারের সময় এক টুকরো কাপড়ও পাওয়া যায়নি পরনে। মসজিদের পেছনে একটি ড্রেনের কাছে শিশুটিকে ফেলে দেয়া হয়েছিল। সেখানে পিঁপড়া আর পোকা-মাকড়ের খাবারে পরিণত হয়েছিল সে। সারা গায়ে পোকা-মাকড় কামড়ের কামড়ে বেশ ধকল গেছে তার ওপর।

পুলিশের ধারণা নির্ধারিত সময়ের আগেই শিশুটির জন্ম হয়েছে। শিশুটির ওজন দেড় কেজির একটু বেশি হবে। তবে তার বয়স ৩২ সপ্তাহের বেশি নয়।

ইউনিভার্সিটি মালায়া মেডিকেল সেন্টারের এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, শিশুটির বা পায়ে ফুসকুড়ি দেখা গেছে। শিশুটিকে ইউএমএমসি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা এখন স্বাভাবিক। তবে শিশুটিকে কে বা কারা এভাবে ড্রেনের কাছে ফেলে গেছে তা জানা যায়নি। এবিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।