মেইন ম্যেনু

মহেশখালী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে জনবল সংকট

মোঃ আমান উল্লাহ, কক্সবাজার :কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৭ ইউনিয়ন ক্লিনিক গুলোতে জনবল সংকট হওয়াতে রোগীরা পর্যাপ্ত পরিমানে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারী ভাবে ২৯টি মঞ্জুরকৃত পদের মধ্যে ৯জন চিকিৎসক দিয়ে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেছ ও ৭ ইউনিয়নের সবকটি ক্লিনিক গুলি পরিচালিত যারফলে মহেশখালীর প্রায় ৪লক্ষ জনগন চিকিৎসা সেবা থেকে নিয়মিত বঞ্চিত হচ্ছে।

৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেছে ২২ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলে ও তৎস্থলে ৫ জন চিকিৎসক, (এ্যানথেসিয়া, ডেন্টাল সার্জন ও গাইনী বিশেষজ্ঞ) এর মত বিভাগে ও চিকিৎসক নাই, নার্স পদে ২১ জন থাকার কথা থাকলে ও তৎস্থলে বর্তমানে ৩ জন নার্সই আছে, অফিস পর্যায়ে প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক, ক্যাসিয়ার, ষ্টোর কিপার পদগুলি ও শূন্য, অফিস সহকারী ৩টি পদ তৎস্থলে ১ জন আছে, ল্যাবরেটরী পদে ৩ জন তৎস্থলে ১জন ডেপুটিশনে দায়িত্ব পালন করছে।

এক্স-রে টেকনোশিয়ান, এম্বুল্যান্স ড্রাইভার ও ফার্মাসিষ্ট ম্যান সহ আরো গুরুত্বপূর্ন পদে জনবল শূন্য। পাশাপাশি ৭ ইউনিয়নের ক্লিনিক গুলিতে ৭জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলে ও তৎস্থলে ৪ জন চিকিৎসক দিয়ে কোন রকম চলছে। সবমিলিয়ে উপকূলীয় দ্বীপ মহেশখালীর রোগীরা চাহিদামত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বড় মহেশখালী ইউনিয়নের এক প্রসূতি রহিমা বেগম জানান, মহেশখালীর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেছে কোন গাইনি বিশেষজ্ঞ না থাকাতে আমাদের কে কক্সবাজারে গিয়ে চিকিৎসা করতে হচ্ছে তাই আমাদের নানান সমস্যায় পড়তে হয় ।

মহেশখালীর একমাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেছ ও তার আওতাভুক্ত ৭ ইউনিয়নে ৭টি ক্লিনিক আছে এরপরে ও এম্বুল্যান্সের ড্রাইভার না থাকাতে রোগীদের যথাসময়ে আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে চরম বিপদে পড়তে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কিছু দুর্ণীতি পরায়ন ষ্টাফের কারনে হাসপাতালের সুনাম, সুখ্যাতি নষ্ট হচ্ছে তাই তাদের চিহ্নিত করে বিহিত ব্যবস্থা নেওয়া হলে হাসপাতালের আরো সুষ্ঠাতা ফিরে আসবে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. সুচিন্ত চৌধুরীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সে জানান, আমি অফিসের বাহিরে আছি আপনাকে পুরোপুরি তথ্য দিতে পাচ্ছি না আসলে তথ্য দিব।

আরএমও ডা. মাহফুজুল হক জানান স্বাস্থ্য কমপ্লেছ ও ইউনিয়ন ক্লিনিক গুলিতে জনবল সংকট হলে ও মোটামুটি ভাবে সুন্দর ভাবে পরিচালিত হচ্ছে এর পরে ও জনবল যদি পুরোপুরি ভাবে থাকত রোগীরা আরো বেশী সেবা পেত।