মেইন ম্যেনু

মাকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ

মাকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে অচেতন করে সপ্তম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিয়োগ উঠেছে পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে। ঘটনার পর দিনভর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পেশাদার সালিশদাররা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ধর্ষক আবুল কাশেম, ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী ও তার মাকে আটক করে ঘটনাটি মীমাংসা করার জন্য টাকার অংক নিয়ে দরকষাকষি করতে থাকেন।

সংবাদ পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ রাত ৯টার দিকে চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। রাতেই পুলিশ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীকে বাদী করে পল্লী চিকিৎসক আবুল কাশেম ও তার সহকারী চান মিয়াকে আসামি করে মামলা নিয়েছে।

মঙ্গলবার ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে বিচারিক হাকিমের আদালতে হাজির করে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। ধর্ষক আবুল কাশেমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি চান মিয়া পলাতক রয়েছে।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর মা জানান, গতকাল সকাল ৯টার দিকে চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে পল্লী চিকিৎসক আবুল কাশেমের জনকল্যাণ ফার্মেসিতে চিকিৎসা নেয়ার জন্য আসেন মা ও মেয়ে। চিকিৎসক ছাত্রীর কানের মধ্যে ড্রপ দিয়ে তার মাকে অন্য কাজ সেরে আসতে বলেন।

মেয়েকে একা রেখে বাজারে যেতে অনিহা প্রকাশ করেন মা। এ সময় পল্লী চিকিৎসক আবুল কাশেম চতুরতার সঙ্গে পরীক্ষা করে ছাত্রীর মায়ের ব্লাড প্রেসার বেড়ে গেছে বলে জানান। তাকে ঘুমের ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে ফেলেন।

এরপর স্কুলছাত্রীকে তার ফার্মেসির পেছনের রুমে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা গিয়ে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে এবং ধর্ষক আবুল কাশেমকে আটক করে স্থানীয় ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে যান। চিকিৎসক আবুল কাশেম চরফকিরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আবুল হাসেমের ছেলে।

পলাতক অপর আসামি চান মিয়ার বাড়ি উপজেলার রামপুর গ্রামে। কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজেদুর রহমান সাজিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করা হয়েছে।