মেইন ম্যেনু

‘মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে দুদকের সফলতা উৎসাহব্যাঞ্জক’

দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বলেছেন, ‘আমাদের বিদ্যমান আইনের আলোকে দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি ও মানিলন্ডারিং মামলাগুলো নিবিড়ভাবে পরিচালনা করছি। তাই আমি বিশ্বাস করি, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে দুদকের সফলতা উৎসাহব্যাঞ্জক।’

রোববার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিংয়ের (এপিজি) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে এপিজির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন- অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড শ্যানন। এই প্রতিনিধি দলে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, শ্রীলঙ্কাসহ সাতটি দেশের প্রতিনিধি রয়েছেন।

বৈঠকে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন অধ্যাদেশ-২০১৩ এর আলোকে দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি ও মানিলন্ডারিং মামলাগুলো নিবিড়ভাবে পরিচালনা করছি। আমরা সফলতার সাথে সঙ্গে সিঙ্গাপুর থেকে ২১ কোটি টাকা দেশে ফেরত আনতে পেরেছি। বিদেশ থেকে আরো অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটা বাংলাদেশের জন্য তৃতীয়বারের মতো মিউচুয়াল ইভালুয়েশন। আমরা এফএটিএফের অবশিষ্ট শর্তগুলো পরিপালনে আমাদের সর্বোচ্চ সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা করেছি। আমরা ২০০৮ ও ২০১২ সালের এপিজির অন সাইট ভিজিটের পর্যবেক্ষণগুলোর আলোকে সেগুলোকে মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের দিকটি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করেছি।’

দুপুর সাড়ে ১২টায় দুদকের সম্মেলন কক্ষে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নে প্রতিরোধে গঠিত ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) আদলে গঠিত এ কমিটির সঙ্গে বৈঠক শুরু করে দুদক। এ মতবিনিময় সভায় কমিশনের মহাপরিচালক ব্রি. জে. (অব:) এম এইচ সালাহ্উদ্দিন কমিশনের কার্যক্রম ও ‘ন্যাশনাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট’ এর কার্যক্রম সংক্রান্ত লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদ।