মেইন ম্যেনু

মান্নার রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলার তদন্ত আটকে আছে যেখানে

নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার তদন্ত আটকে আছে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে না পারার পয়েন্টে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলছেন, রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার তদন্ত কাজ শেষ করার জন্য মান্নাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

তবে তিনি প্রায়ই অসুস্থ থাকায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাচ্ছে না। ফলে মামলার চার্জশিটও দেয়া হচ্ছে না।

কিছু দিন আগে পুলিশ মাহমুদুর রহমান মান্নাকে অধিকতর তদন্তের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন। ওই আবেদনের বিরোধিতা করে উচ্চ আদালতে তাঁর জামিন চেয়ে আবেদন করেন তাঁর আইনজীবীরা। বিষয়টি এখন উচ্চ আদালতের নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।

মাহমুদুর রহমান মান্নার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁর স্ত্রী মেহের নিগার বলেন, ঈদের দুই দিন আগে আমরা কারাগারে তাকে দেখতে গিয়েছিলাম।

তখনও তিনি হাটুর ব্যাথায় কষ্ট পাচ্ছিলেন। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে ইনজেকশন পুশ করলে তিনি কিছুটা রিলিফ পান। কারাগারে মান্নার শরীরিক অবস্থাও ভালো যাচ্ছে না-উল্লেখ করে মেহের নিগার বলেন তিনি প্রায়ই অসুস্থ থাকছেন। এ অবস্থায় কি একজন মনুষকে রিমান্ডে নেয়া যায়?

তার সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ হচ্ছে কি না জানতে চাইলে মান্নার স্ত্রী বলেন, ঈদের সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারিনি। কারন সপ্তাহে দুইদিন তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ থাকে।

ঈদের দুইদিন আগে দেখা করার কারনে ঈদের দিন তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি মেলেনি। তিনি আরো বলেন, মান্নার জামিন ও রিমান্ডের আবেদনের সিদ্ধান্ত উচ্চ আদালতে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্তু শুনানির জন্য সময় পাওয়া যাচ্ছে না।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে ধানমন্ডির স্টার কাবারের সামনে থেকে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে আটক করে র‌্যাব। পরে তাকে গুলশান থানায় দায়ের করা একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে বনানীর একটি বাসা থেকে মান্নাকে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়।

গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক শেখ সোহেল রানা বাদী হয়ে মান্নাসহ অজ্ঞাত একজনকে আসামি করেন। পেনাল কোডের ১৩১ ধারায় সেনা সদস্যদের উসকে দেওয়া ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ মামলা করা হয় মাহমুদুর রহমান মান্নার বিরুদ্ধে।

মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, মান্নার মামলাটি তদন্ত শেষ করার জন্য তাকে আরো কিছু জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন। এ বিষয়ে আদালতে আবেদনও করা হয়েছে। তবে তিনি অসুস্থ থাকায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা যাচ্ছেনা। তাকে যখন আনা উদ্যোগ নেওয়া হয় তখন কারা চিকিৎসক বলেন তিনি অসুস্থ।

তিনি সুস্থ হলেই তাকে জিজ্ঞাসা করে মামলাটি দ্রুত শেষ করা হবে।