মেইন ম্যেনু

মামা-ভাগ্নির গভীর ‘প্রেম’, তারপর শেষ পরিণতি…

মামা-ভাগ্নির গভীর ভালোবাসা; অতপর এফিডেবিট এ নোটারী পাবলিক নোয়াখালীতে ২ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেছেন দারোগার কন্যা শাহানারা আক্তার জেরিন (১৮) পুলিশ সদস্যের পুত্র তানজীদ হোসেন সাগর (১৮)।

পরে আবার কাজী মাওলানা আবদুল বাকীর মাইজদী অফিসে নিকাহ্নামা রেজিষ্ট্রি করেন মামা ভাগ্নি। এডভোকেট অমির মিত্র ও স্বাক্ষী উত্তর শরীফপুর গ্রামের আফসার উল্যা ও এমরান হোসেনের সামনে প্রেমিক প্রেমিকা উপস্থিত হয়ে উভয়ে লিখিত হলফনামায় জানায় আবিদ ভুঁইয়া বাড়ির বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে উভয়ের দেখা সাক্ষাতের মাধ্যেমে একে অপরের প্রতি ভালোবাসার আকৃষ্ট হয়। উক্ত ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা রূপান্তরিত করতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধের সিন্ধান্ত গ্রহন করে।

মামা ভাগ্নির গভীর ভালোবাসা বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য বান্দরবন থানার এস আই মোঃ গোলাম মোস্তফা লিংকন এর কন্যা চৌমুহনী জালাল উদ্দিন কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী শাহানারা আক্তার জেরিন (১৮) বন্ধের তারিখে প্রাইভেটের কথা বলে একই বাড়ির রামগতি থানার পুলিশ কনষ্ট্রেবল দেলওয়ার

হোসেনের পুত্র মামা তানজীদ হোসেন সাগর (১৮) কে মোবাইলে ডেকে এনে গত ৭ জুলাই মুসলিম আইনের বিধান মোতাবেক বিয়ে করে।

তাদের সমাজ বিরোধী কাজে আত্মীয়-স্বজন রাজী না হওয়ায় তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে মধু চন্দ্রিমায় হাবুডুবু খায়। টানা ২ মাস ঘর সংসার করার পর বাদ সাধে একই বাড়ির দারোগা।

পরবর্তীতে এস আই মোস্তফার মদদে স্ত্রী নুরজাহান বেগম কে দিয়ে ২ মাস পর ৩০ আগষ্ট অপহরণ মামলা নাটক করে পুলিশ পুত্রের বিরুদ্ধে। মামলা হয়রানীতে জড়িয়ে দেওয়া হয় আপন জেঠা বাবুল গাজী, ভাই পারভেজ, শাহ আলম নোমান, মোঃ হাছান-কে।

বে-রশিক পুলিশ প্রেমিক-প্রেমিকাকে গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর থানার টেংরা খোলা খালপাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় নিয়ে আসে।

গতকাল এস আই নিরস্ত্র মোঃ ইয়াছিন, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মুনছুর উদ্দিনের আমলী আদালতের মাধ্যমে ফেনী পলিটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র সাগরকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

এ নিয়ে নোয়াখালীতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে