মেইন ম্যেনু

মালয়েশিয়ার ৪টি মাল্টিপ্লেক্সে ‘সুতপার ঠিকানা’

দেশব্যাপী প্রদর্শন শেষে এবার আর্ন্তজাতিক বাজারে বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সরকারী অনুদান সহায়তায় নির্মিত চলচ্চিত্র ‘সুতপার ঠিকানা’। যার ইংরেজী নাম- ‘হার ওন অ্যাড্রেস’।

সম্প্রতি, নির্মাতার সাথে মালয়েশিয়ান পরিবেশক সংস্থার অনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর চলচ্চিত্রটি সেন্সরের জন্যে জমা দেয়া হয়। স্থানীয় চলচ্চিত্র অধিদপ্তর থেকে যথাযথভাবে সেন্সর প্রাপ্তির পর সেখানকার সবচেয়ে আধুনিক প্রেক্ষাগৃহ গোল্ডেন স্ক্রিন সিনেমার মোট ৪টি মাল্টিপ্লেক্সে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

এর আগে পরিবেশক ও প্রদর্শকের সম্মিলিত উদ্যোগে ২ মার্চ চলচ্চিত্রটির দুটি বিশেষ প্রদর্শনী হবে কুয়ালালামপুরের মিডভ্যালীতে অবস্থিত গোল্ডেন স্ক্রিন সিনেমার একটি প্রেক্ষাগৃহে। এদিন, সকাল ১০টায় শুধুমাত্র সংবাদকর্মীদের জন্যে এবং সন্ধ্যা ৬টায় প্রদর্শিত হবে মালয়েশিয়ার অগ্রগামী নারীদের সংগঠন অডঅগ (অল ওমেনস এসোসিয়েশন অব মালয়েশিয়া) এর সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের জন্যে।

নির্মাতা প্রসূণ রহমান জানান, কুয়ালালমপুরের ‘মিডভ্যালী’ ও ‘প্যাভিলিয়ন’ মেগা-মল, পেতালিং জায়ার ‘ওয়ান উতামা’ মেগা-মল এবং পেনাং এর ‘গুর্ণে প্লাজা’র মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে মুক্তি পাবে ‘সুতপার ঠিকানা’।

বাণিজ্যিক মুক্তি শেষে ‘সুতপার ঠিকানা’ মালয়েশিয়া ও ব্রুনাই এর দুটি টেলিভিশনেও প্রচার হবে। এরপর মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনামে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের মে মাসে মা দিবস উপলক্ষ্যে শুধুমাত্র রাজধানীর কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। এরপর বিকল্প পন্থায় প্রদর্শিত হয় ১২টি জেলায় এবং ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ৫টি মহাদেশের বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহন করে অর্জন করে গুরুত্বপুর্ণ সম্মাননা। এরপর গত ডিসেম্বরে শিল্পকলা একাডেমীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবে ৬৪ জেলায় একযোগে প্রদর্শিত হয় ‘সুতপার ঠিকানা’। সরকারী অনুদানে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্রের নির্মাতা হিসেবে- দেশব্যাপী প্রর্দশনের এই সুযোগ ও সম্মাননাটিকেই সর্বোচ্চ প্রাপ্তি বলে মনে করেন চলচ্চিত্রটির নির্মাতা প্রসূন রহমান।