মেইন ম্যেনু

মাশরাফির টস-ভাগ্য এত খারাপ কেন?

শুধু অপরিহার্য খেলোয়াড়ই নন, মাশরাফি বিন মুর্তজা এখন বাংলাদেশ দলের অবিসংবাদিত অধিনায়কও। তাঁর নেতৃত্বে বদলে গিয়ে একের পর এক সাফল্য উপভোগ করছে বাংলাদেশ। কখনো বোলিং করে, কখনো ব্যাট হাতে জ্বলে উঠে দলকে তিনি এনে দিচ্ছেন কাঙ্ক্ষিত জয়। অথচ একটা ‘লড়াই’য়ে মাশরাফি ইদানীং ব্যর্থ। বেশ কিছুদিন ধরে টস জিততে পারছেন না তিনি।

বাছাইপর্বে দাপটের সঙ্গে খেলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টেনে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে বাছাইপর্বের একটি ম্যাচও টস জিততে পারেননি মাশরাফি। নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড ও ওমানের বিপক্ষে তিন ম্যাচেই টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

সব মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে টস হেরেছেন মাশরাফি। ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ সর্বশেষ টস জিতেছিলেন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এরপর লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে পাকিস্তান ও ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টস হেরে যান তিনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তিনটি ম্যাচ মিলে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে পাঁচ।

শুধু সাম্প্রতিক সময়ে নয়, অধিনায়ক-জীবনের শুরু থেকেই টস-ভাগ্য ভালো নয় মাশরাফির। পরিসংখ্যান সে কথাই বলছে। এ যাবত ৪৫টি টি-টোয়েন্টি খেলে ১৯টিতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে টস জিতেছেন সাতবার। বাকি ১২টিতেই কয়েন মুখ ফিরিয়েছিল তাঁর কাছ থেকে।

ওয়ানডেতেও মুদ্রা নিক্ষেপে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার হার বেশি মাশরাফির। প্রায় দেড় দশকের ক্যারিয়ারে ১৬০টি ওয়ানডে খেলে ২৮টিতে অধিনায়কত্ব করেছেন তিনি। এই ২৮ ম্যাচে টস হেরেছেন ১৭টিতেই। বাকি ১১ ম্যাচে টস-জয়ের হাসি ছিল তাঁর মুখে।

এমন টস-ভাগ্য নিয়ে মাশরাফি নিজেও হয়তো বিব্রত। তবে এ নিয়ে রসিকতা করতেও ছাড়ছেন না, ‘নিজের বদলে অন্য কাউকে টস করতে পাঠালেই বোধহয় ভালো করব আমি!’ ঠাট্টাচ্ছলে বললেও মাশরাফির কথাটার পেছনে একটা কষ্টও বোধহয় লুকিয়ে আছে।